নিহতরা হলেন- রাজধানী জুরাইনের বাসিন্দা সোহান মিয়া, শিশুসন্তান ইমি, স্ত্রী অনামিকা আক্তার, শাশুড়ি আমেনা বেগম, শ্যালিকা অ্যানি আক্তার। সোহান মিয়া ঢাকার একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন।
জানা গেছে, শুক্রবার (২৭ ডিসেম্বর) দুপুরে প্রাইভেটকার করে রাজধানী জুরাইন থেকে সোহান মিয়া স্ত্রী-সন্তানসহ গ্রামের বাড়ি গোপালগঞ্জের উদ্দেশ্যে মাওয়ামুখী লেন দিয়ে যাচ্ছিলেন। যাওয়ার পথে ধলেশ্বরী টোল প্লাজায় টোল দেওয়ার জন্য প্রাইভেটকারটি দাঁড়ায়। এ সময় হঠাৎ পেছন থেকে একটি দ্রুতগামী যাত্রীবাহী বাস সামনে থাকা প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস ও মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই শিশু ইমি নিহত হয়। পরে হাসপাতালে নেয়ার পথে সোহান মিয়া, তার স্ত্রী অনামিকা আক্তার, শাশুড়ি আমেনা বেগম, শ্যালিকা অ্যানি আক্তার নিহত হন। এ ঘটনায় গুরুতর আহত চারজনকে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
.png)
মুন্সীগঞ্জ ফায়ার স্টেশনের উপ-সহকারী পরিচালক সফিকুল ইসলাম জানান, মাওয়াগামী প্রাইভেটকারকে পেছন থেকে বেপারী পরিবহনের বেপরোয়া গতির বাসটি প্রচণ্ড গতিতে ধাক্কা দিলে দুর্ঘটনাটি ঘটে। পুলিশ বাসটি আটক করেছে। সোহান মিয়া ঢাকার একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন। ছুটির দিনে পরিবার নিয়ে গোপালগঞ্জ যাচ্ছিলেন।