রোববার সকাল ১০টার দিকে জেলা সদরস্থ মার্কাজ মসজিদ (ঈদগাহ) প্রাঙ্গণে একটি বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে ৩ হাজার মুসল্লি অংশ নেন।
সমাবেশ শেষে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে একটি বিক্ষোভকারী একটি মিছিল বের করে শহরের নিরালা মোড়-ভিক্টোরিয়া রোড-পুরাতন বাসস্ট্যান্ড-ময়মনসিংহ রোড-ডিস্ট্রিক্ট গেইট হয়ে দুপুর ১২টার দিকে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেন।
.png)
সমাবেশে জেলা ইমাম ও মুয়াজ্জিন পরিষদের সভাপতি এবং টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় মসজিদের ইমাম হাফেজ মাওলানা শামসুজ্জামান সভাপতিত্ব করেন। এ সময় জেলা ইমাম ও মুয়াজ্জিন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আব্দুল্লাহ আল মামুন, কওমি ওলামা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মুফতি মাওলান আব্দুর রহমান, বেবীস্ট্যান্ড জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা আশরাফুজ্জামান কাশেমী, মার্কাজ মসজিদের ইমাম মুফতি মাওলানা ওবাইদুল্লাহ, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র সমন্বয়ক ও জেলা ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সভাপতি মো. কামরুল ইসলামসহ যোবায়ের পন্থীসহ আলেম-ওলামারা উপস্থিত ছিলেন।
সমাবেশে বক্তারা সন্ত্রাসী সাদপন্থীদের আক্রমণে টঙ্গী ইজতেমা ময়দানে নিরীহ মুসুল্লিদের হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত এবং খুনিদের সর্বোচ্চ শাস্তি প্রদান ও সাদপন্থীদের সব কার্যক্রম বন্ধ ও নিষিদ্ধের দাবি জানান।
এছাড়া টাঙ্গাইলের সাদ অনুসারী মুফতি মোস্তফা খলিল ও মুফতি শহিদুল্লাহ টঙ্গী ইজতেমা মযদানে জিহাদে সম্পৃক্ত ছিলেন বলে উল্লেখ করেন। এ প্রেক্ষিতে বক্তারা তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসন কর্তৃক ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান। অন্যথায় কোনো প্রকার দুর্ঘটনা ঘটলে তার দায় প্রশাসনকে নিতে হবে বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।
বক্তারা আরো বলেন, স্মারকলিপিতে যাদের নাম উল্লেখ্ রয়েছে তাদেরকে অতিদ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনতে হবে। অন্যথায় ভবিষ্যতে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে উল্লেখ করেন।