হাসপাতালে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ পেয়ে এ অভিযান পরিচালনা করেন তারা। এ সময় হাসপাতালে সরকারি ঔষধের হিসাবের অনিয়ম, সঠিক সময়ে ডাক্তার না আসা, দীর্ঘদিন হাসপাতালের এক্স-রে মেশিন, সিটিস্ক্যান মেশিন, এমআরআই মেশিন অচল, রোগীদের জন্য রান্না করা অস্বাস্থ্যকর খাবার, টিকিটের টাকা বেশি নেয়া, অর্থের বিনিময়ে সার্টিফিকেট বাণিজ্যের প্রমাণ সংগ্রহ করে এসব বিষয়ে তদন্ত করেন এবং বিষয়গুলোর প্রমাণও পায় দলটি।
এ বিষয়ে অভিযোগ যেমন রয়েছে তেমনি অভিযুক্তরাও তাদের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ অস্বীকার করেন।
.png)
এসব অনিয়মের বিষয়ে হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. জীবিতেশ বিশ্বাস বলেন, আমরা এসব অভিযোগ খতিয়ে দেখে যথাযথ ব্যবস্থা নেবো।
দুদকের উপ-পরিচালক মো. মশিউর রহমান বলেন, আমরা দীর্ঘ সময় এই হাসপাতালের অবজারভেশন করেছি। ডাক্তার সঠিক সময় আসেন না। টিকিটের মূল্য ১০ টাকার বদলে ২০/৩০ টাকা করে নিচ্ছে।