বুধবার (১১ ডিসেম্বর) ভোরে লক্ষ্মীপুর পৌর শহরের ইসলাম মার্কেট এলাকায় ফিলিং স্টেশনটিতে আল মদিনা নামে একটি লোকাল বাসে গ্যাস রিফিলের সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত কালাম লক্ষ্মীপুর পৌর শহরের সাহাপুর এলাকার জাকির হোসেনের ছেলে ও পেশায় রংমিস্ত্রি। আহতরা হলেন- নোয়াখালীর কবির হাট এলাকার বাসিন্দা আবুল হোসেন ও লক্ষ্মীপুর পৌর শহরের সাহাপুর এলাকার নাঈমসহ তিনজন।
.png)
এর আগে, ১৪ অক্টোবর একই ফিলিং স্টেশনে অন্য একটি বাসের সিলিন্ডারে গ্যাস রিফিলের সময় বিস্ফোরণ ঘটে তিনজন নিহত হন। ওইদিন আরো ৯ জন আহত হয়েছেন। এরমধ্যে একজনের একটি হাত বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এ ঘটনায় ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল।
ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়রা জানান, ভোরে লক্ষ্মীপুর-রামগতি রুটে চলাচলকারী আল-মদিনা পরিবহন নামে একটি বাস গ্যাস নিতে গ্রিন লিফ গ্যাস স্টেশনে আসে। ফিলিং স্টেশন থেকে বাসের সিলিন্ডারে গ্যাস দেওয়ার সময় হঠাৎ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই একজনের মৃত্যু হয়। এ সময় আহত হন আরো তিনজন। ঘটনাস্থলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লে খবর পেয়ে লক্ষ্মীপুর ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে পাঠায়।
স্থানীয়রা জানান, আল মদিনা নামে ওই বাসটি শহরের ঝুমুর এলাকায় রংয়ের কাজ শেষে ওই ফিলিং স্টেশনে গ্যাস নিতে আসে। এ সময় রং মিস্ত্রি আবুল কালামও ফিলিং স্টেশনে আসেন বাসের সঙ্গে। সেখানেই গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ হয়ে মারা যান তিনি।
লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক জয়নাল আবেদীন জানান, একজনকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে। আহতদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের ঢাকা মেডিকেলে পাঠানো হয়।
গ্রিন লিফ সিএনজি ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার আল আমিন বলেন, বাসটির সিলিন্ডার ত্রুটিযুক্ত ছিল, তাই বিস্ফোরণ ঘটেছে। এতে একজন ঘটনাস্থলে নিহত ও তিনজন আহত হয়েছেন।
লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার ওসি আব্দুল মোন্নাফ বলেন, একই ফিলিং স্টেশনে এর আগেও গ্যাস রিফিলের সময় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। ওই মামলা এখনো চলমান। এখন আবার বিস্ফোরণের ঘটনায় একজন মারা গেছেন ও তিনজন আহত হয়েছেন। ঘটনাটি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।