বুধবার সন্ধ্যায় ঢাকা-ভাঙ্গা রেললাইনের শিবচরের পাঁচ্চরে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত মিথিলা আক্তার শিবচরের দত্তপাড়া ইউনিয়নের আবু খলিফা ওরফে মিজান সরদারের মেয়ে ও গুরুতর আহত আয়শা একই উপজেলার মাদবরেরচর ইউপির নাসিরেরমোড় এলাকার সুজন মিয়ার মেয়ে।
স্থানীয়রা জানান, ১১ মাসের ভাগ্নি আয়শাকে নিয়ে বিকেলে বাড়ির কাছে ঘুরতে বের হন খালা মিথিলা। এ সময় ঢাকা থেকে রাজশাহীর উদ্দ্যেশে ছেড়ে আসে মধুমতি এক্সপ্রেসের একটি যাত্রীবাহী ট্রেন দেখে মিথিলা মোবাইল ফোন দিয়ে ছবি তুলছিল। অসাবধানবশত ট্রেনের পাশে থাকায় পেছন থেকে তাকে ধাক্কা দেয় ট্রেনটি। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান মিথিলা, গুরুতর আহত হয় তার কোলে থাকা আয়শা। পরে ৪ হাত-পা বিচ্ছিন্ন হওয়া শিশুকে পাঁচ্চর রয়েল প্রাইভেট হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে রাজধানীর ঢাকা মেডিকেলে শিশুটিকে পাঠান চিকিৎসক।
.png)
মাদারীপুরের শিবচর থানার ওসি মো. মোকতার হোসেন বলেন, ট্রেনের ধাক্কায় ঘটনাস্থলেই খালার মৃত্যু হয়। গুরুতর ভাগ্নিকে ঢাকা মেডিকেলে পাঠানো হয় বলে জানা গেছে।