জেলা শহরের স্টেশন রোডের ডিপার্টমেন্টাল স্টোর নিয়ামত স্টোরের মালিক মিজানুর রহমান শাহীন জানান, ডিস্ট্রিবিউটররা কোনো বোতলজাত তেল দিচ্ছেন না। তিনি যোগাযোগ করে জানতে পারেন, কোম্পানিগুলি তেলের দাম বাড়াতে চাচ্ছে। কিন্তু সরকার বাড়াতে দিতে চায় না। সেই কারণেই তেল সরবরাহ বন্ধ রেখেছে।
তিনি আরো জানান, এক লিটার বোতলের খুচরা বিক্রয় মূল্য ১৬৭ টাকা। দুই লিটার বোতলের খুচরা বিক্রয় মূল্য ৩৩৪ টাকা। আর পাঁচ লিটার বোতলের খুচরা বিক্রয় মূল্য ৮১৮ টাকা।
.png)
বড়বাজারের পাইকারী ব্যবসায়ী ওসমান গণি জানান, বোতলজাত তেল সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। এখন বাজারে খোলা সয়াবিন তেলের খুচরা দাম ১৬৬ টাকা লিটার আর পামওয়েল ১৫৫ টাকা লিটার।
শহরের গৌরাঙ্গবাজার এলাকার বাসিন্দা হোসেনপুর সরকারি ডিগ্রি কলেজের বাংলা বিভাগের প্রভাষক সায়মা হক জানান, তিনি রোববার বিভিন্ন দোকান ঘুরে কোনো বোতলজাত তেলই পাচ্ছিলেন না। শেষ পর্যন্ত খরমপট্টি এলাকার একটি দোকানে গেলে তাদের কাছে দুই লিটারের একটি মাত্র বোতল আছে জানিয়ে ৩৯০ টাকা দাম রাখলেন।
জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিফতরের সহকারী পরিচালক হৃদয় রঞ্জন বণিক জানান, তিনি রোববার পাকুন্দিয়া গিয়েও বোতলজাত সয়াবিন তেলের সংকট দেখেছেন। সেখানে খোলা সয়াবিন ১৮৫ টাকা লিটার বিক্রি করতে দেখেছেন। অর্থাৎ বোতলজাত তেলের সংকটের সুযোগে খোলা তেলের দাম কিছুটা বেশি রাখা হচ্ছে।
জেলা কৃষি বিপনন কর্মকর্তা হাসান সারোয়ার জানান, খোলা সয়াবিন আর বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম প্রায় সমান। সেই কারণে কোম্পানিগুলি বোতলজাত তেলের দাম বাড়াতে চায়। কিন্তু সরকার সেটা হতে দিতে চায় না। তবে সরকার তেলের ওপর ভ্যাট কমিয়েছে। হয়ত অচিরেই সংকট কেটে যাবে বলে তিনি মনে করেন।