সোমবার (২ ডিসেম্বর) চট্টগ্রাম অর্থঋণ আদালতের বিচারক মুজাহিদুর রহমান এ আদেশ দেন। গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত অন্যরা হলেন- মোয়াজ্জেম হোসেন ও সাদিকা আফরিন দিপ্তী।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের বেঞ্চ সহকারী রেজাউল করিম।
.png)
তিনি বলেন, ২০১৯ সালের শুরুতে গ্র্যান্ড ট্রেডিং এন্টারপ্রাইজের নামে শিপব্রেকিং ব্যবসার জন্য ন্যাশনাল ব্যাংকের খাতুনগঞ্জ শাখা থেকে ১৭৫ কোটি টাকা ঋণ নেন আশিকুর রহমান লস্কর। কোনো ধরনের জামানত ছাড়া নেয়া এ ঋণের কোনো কিস্তিই পরিশোধ করেননি তিনি। এমন পরিস্থিতিতে ব্যাংকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।
ব্যাংকের নথি সূত্রে জানা যায়, গত বছর ব্যাংকের পক্ষ থেকে আদালতে দায়ের করা মামলায় আশিকুর রহমান লস্করসহ প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোয়াজ্জেম হোসেন ও চেয়ারম্যান সাদিকা আফরিন দিপ্তীকেও আসামি করা হয়। ঋণ গ্রহনের পর থেকে মোয়াজ্জেম ও তার স্ত্রী সাদিকা আফরিন পলাতক আছেন।
আদালত সূত্র বলছে, ২০২৩ সালের ৬ মার্চ চট্টগ্রাম বিমানবন্দর ব্যবহার করে দুবাই পালিয়ে যান আশিকুর রহমান লস্কর। এক হাজার ৮০০ কোটি টাকার খেলাপি ঋণের জন্য তার বিরুদ্ধে মামলা করেছে ১০টি ব্যাংক। ২০২২ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে এসব মামলা করা হয়।