ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

প্রধান শিক্ষক ছাড়াই চলছে ৯৩ প্রাথমিক বিদ্যালয়

আশরাফুল ইসলাম জয়, সিরাজগঞ্জ
প্রকাশিত: ১৫:২১, ১ ডিসেম্বর ২০২৪
প্রধান শিক্ষক ছাড়াই চলছে ৯৩ প্রাথমিক বিদ্যালয়
রায়গঞ্জ উপ‌জেলার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে

সিরাজগঞ্জ রায়গঞ্জ উপ‌জেলার ৯৩টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক ছাড়াই চলছে পাঠদান কার্যক্রম। এতে ব্যাহত হ‌চ্ছে পাঠদানসহ প্রশাসনিক কার্যক্রম। দীর্ঘদিন প্রতিষ্ঠানগু‌লো‌তে প্রধান শিক্ষক না থাকায় বিদ্যালয়গুলো অনেকটাই অভিভাবকশূন্য হয়ে পড়েছে।

প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে ১৮৫টি। এসব বিদ্যালয়ে শিক্ষক রয়েছে ১ হাজার ৯৭ জন। নিয়ম অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক থাকার কথা ১ হাজার ১৯২ জন। এরমধ্যে প্রধান শিক্ষকের পদশূন্য রয়েছে ৯৩টি। এদিকে ৪৩টি বিদ্যালয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দিয়ে বিদ্যালয় পরিচালনা করলেও কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সহকারী শিক্ষকরা ভারপ্রাপ্ত প্রধানের সঙ্গে মতানৈক্যর কারণে মেনে নিতে পারছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। 

শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা জানান, এসব প্রতিষ্ঠানে প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকের ওই পদগুলো শূন্য থাকায় পাঠদানসহ দাপ্তরিক নানা কাজে বিদ্যালয়ে বিভিন্ন সমস্যার পাশাপাশি সার্বিক শিক্ষায় বিঘ্ন ঘটছে।

Advertisement

একাধিক শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা জানান, পদশূন্য থাকায় প্রধান শিক্ষকের কাজ অন্য শিক্ষককে বাড়তি দায়িত্ব নিয়ে করতে হচ্ছে। দায়িত্বের কারণে পাঠদানের পাশাপাশি তাদের বিভিন্ন প্রশাসনিক কাজ, শ্রেণিকক্ষ পর্যবেক্ষণ, সভা-সেমিনারে অংশ নেয়াসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজ করতে হয়।

অভিভাবক র‌হিমা বেগম জানান, প্রধান শিক্ষকের পদ খালি থাকায় বিদ্যালয়গুলো অভিভাবকহীন হয়ে পড়েছে। ভারপ্রাপ্তরা অনেক সময় সঠিক সিদ্ধান্তও নিতে পারেন না। অনেকটা স্থবির হয়ে পড়েছে শিক্ষা কার্যক্রম।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আল-আমিন সরকার জানান, তার বিদ্যালয়ে প্রায় ১২০ জন শিক্ষার্থী লেখাপড়া করছে। শিক্ষক আছেন তিনজন। পাঠদানের পাশাপাশি অফিসের কাজসহ তাকে সব কিছু সামলাতে হচ্ছে। এতে অনেকটা ঝামেলা পোহাতে হচ্ছে তাকে।

রায়গঞ্জ উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা আপেল মাহমুদ বলেন, উপজেলার শূন্য পদে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের চলতি দায়িত্ব দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার হারুনর রশিদ জানান, প্রধান শিক্ষকদের পদোন্নতি ফাইল প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরে পাঠানো হয়েছে। প্রকল্প শিক্ষকদের মামলা থাকার কারণে কাজটি বন্ধ আছে। মামলার সিদ্ধান্ত হলে কার্যক্রম পরিচালা করা হবে বলে জানান এ কর্মকর্তা।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এসআরএস
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!