রোববার (২৪ নভেম্বর) সন্ধ্যায় গাইবান্ধা সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষ ইঞ্জিনিয়ার নূর মো. আনোয়ার রশিদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ল্যাব সহকারী মিজানুর রহমান সবুজ দীর্ঘদিন ধরে নবম শ্রেণির অ্যাপারেল ম্যানুফ্যাকচারিং অ্যান্ড বেসিকস ট্রেডের নারী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অশালীন আচরণ, উত্ত্যক্ত ও অপ্রাসঙ্গিক মন্তব্য করে আসছেন।
.png)
এ ছাড়া শিক্ষার্থীরা আরো অভিযোগ করেন, সবুজ কোনো কারণ ছাড়াই শিক্ষার্থীদের শারীরিক নির্যাতন এবং অশোভন কথাবার্তা বলতেন। এর প্রেক্ষিতে গত বৃহস্পতিবার নবম শ্রেণির সাতজন মেয়ে ও তিনজন ছেলেসহ মোট ১০ শিক্ষার্থী অধ্যক্ষ বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন।
গাইবান্ধা সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষ ইঞ্জিনিয়ার নূর মো. আনোয়ার রশিদ বলেন, শিক্ষার্থীদের অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছি। কমিটিকে এক কর্ম দিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। প্রতিবেদনে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।
তিনি আরো বলেন, এর আগে মিজানুর রহমান সবুজের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগও উঠেছিল। যা কলেজ কর্তৃপক্ষ তদন্ত করে দেখছে।
বিগত সময়ে গাইবান্ধার সমালোচিত ল্যাব সহকারী মিজানুর রহমান সবুজের নামে ‘ডেইলি বাংলাদেশে’ ধারাবাহিকভাবে সংবাদ প্রকাশ করা হয় এর মধ্যে গত ১৩ অক্টোবর ‘তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারীর ৫ তলা ভবন!’ ২৫ অক্টোবর ‘তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারীর দুর্নীতি: ভবন নির্মাণেও জোচ্চুরি’ ৩০ অক্টোবর ‘তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারীর সেই ৫ তলা ভবন অপসারণে নোটিশ’ এবং সর্বশেষ ৪ নভেম্বর ‘তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারীর স্ত্রীও কোটি টাকার মালিক’
শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের একজন কর্মচারীর বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ গুরুতর এবং শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।