নিহত আলো মজুমদার পুলিশের এক পরিদর্শকের স্ত্রী বলে জানা গেছে। আলো মজুমদার বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার নরেরকাঠি গ্রামের কৃষ্ণকান্ত মজুমদারের মেয়ে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরিশাল সদর নৌ থানার এসআই মো. আসাদুল আল গালিব।
.png)
আলো মজুমদারের স্বামী অনুপ রায় পুলিশের পরিদর্শক। তিনি বর্তমানে পটুয়াখালী জেলায় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনে (পিবিআই) কর্মরত আছেন।
বরিশাল সদর নৌ থানার পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বরিশাল নদীবন্দর থেকে সোমবার রাতে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যায় এমভি সুন্দরবন-১৬ নামের লঞ্চটি। রাতে এক নারী লঞ্চ থেকে নদীতে ঝাঁপ দেন। সকালে কীর্তনখোলা নদীর চরমোনাই ইউপির পশুরিকাঠি এলাকায় এক নারীর লাশ ভাসমান অবস্থায় উদ্ধার করে বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়। সেখানে স্বজনেরা লাশ শনাক্ত করেন।
নৌ পুলিশের এসআই আসাদুল আল গালিব বলেন, ময়নাতদন্ত শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
ওই নারীর বোন মঞ্জু রানি মজুমদার বলেন, আলো মজুমদার মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন। বরিশাল নগরের কাশিপুর পাসপোর্ট কার্যালয়ের পাশে একটি ভাড়া বাড়িতে তারা দুই সন্তান নিয়ে বসবাস করতেন। সোমবার সকালে আলো মজুমদার ফোনে টাকা রিচার্জ করার কথা বলে বাসা থেকে বের হন। এরপর তার কোনো সন্ধান মিলছিল না। এ ঘটনায় বরিশাল নগরের বিমানবন্দর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়।
২০১৫ সালে আলো মজুমদার ও অনুপ রায়ের বিয়ে হয়। এ দম্পতির দুটি সন্তান রয়েছে। সম্প্রতি আলো মজুমদারের মানসিক সমস্যা দেখা দেয়। তিনি চিকিৎসাধীন ছিলেন।