নিহত শেফালী বেগম উপজেলার সুটিয়াকাঠী গ্রামের আব্দুস সোবাহানের স্ত্রী।
স্থানীয়রা জানায়, দুই ছেলের সঙ্গে অসম্পূর্ণ একটি ভবনের দ্বিতীয় তলায় বাস করতেন শেফালী। তার দুই ছেলে এবং এক ছেলের স্ত্রী পেশায় শিক্ষক। মঙ্গলবার সকালে শেফালীর বড় ছেলে এনামুল হক, তার স্ত্রী রুবিনা রহমান শ্রাবণী এবং এনামুলের ছোট ভাই রিয়াজ উদ্দিন বিদ্যালয়ে চলে যায়। এছাড়া এনামুলের চতুর্থ শ্রেণি পড়ুয়া ছেলে তাহজিদও সকালে স্থানীয় একটি মাদরাসায় গিয়েছিল। রিয়াজের স্ত্রীও তার বাবার বাড়িতে ছিলেন। ফলে সবাই কর্মস্থলে যাওয়ার পর ঘরে একাই ছিলেন শেফালী।
.png)
সকালের কোনো একসময় একটি দুর্বৃত্তচক্র ঘরে প্রবেশ করে এবং রশি দিয়ে শেফালীর হাত-পা বেঁধে ফেলে। এরপর তাকে হত্যা করে ঘর থেকে স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ টাকা নিয়ে সটকে পড়ে।
দুপুর একটার দিকে এনামুলের ছেলে তাহজিদ ঘরে ফিরে শেফালীর হাত-পা বাঁধা নিথর দেহ খাটের ওপর পড়ে থাকতে দেখে চিৎকার দেয়। এসময় প্রতিবেশীরা ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে পার্শ্ববর্তী একটি প্রাইভেট ক্লিনিকে নিয়ে যায়। তবে চিকিৎসক শেফালীকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত শেফালীর বড় ছেলে এনামুলের দাবি, তার মায়ের হত্যাকারীরা ঘর থেকে প্রায় আট ভরি স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ এক লাখ টাকা লুট করেছে।
হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি তদন্তাধীন বলে জানান নেছারাবাদ থানার ওসি মো. বনি আমিন। তদন্তের পর হত্যার প্রকৃত কারণ উদঘাটন করা যাবে বলে জানান তিনি।