গ্রেফতারকৃত সৈকত আড়াই হাজারের সেন্দীপাড়া এলাকার মো. বিল্লাল হোসেনের ছেলে।
র্যাব জানায়, গত ৩১ জুলাই জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক এস এম এরশাদুল আলম এই মামলার আসামি সৈকত, কাউছার ও শামীমকে মাদরাসাছাত্র মাহাবুব হত্যা মামলায় দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেন। আসামিদের মধ্যে মো. কাউছার জেলহাজতে আটক থাকলেও অপর দুই আসামি মো. সৈকত ও শামীম দীর্ঘদিন আত্মগোপনে ছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় এক অভিযানে সিদ্ধিরগঞ্জের চিটাগাং রোড এলাকা থেকে পলাতক আসামি সৈকতকে গ্রেফতার করা হয়।
.png)
র্যাব আরও জানায়, প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানতে পেরেছি, ১৭ মে দিবাগত রাত ১২টার দিকে আড়াইহাজারের হাইজাদী ইউনিয়নের সেন্দী গ্রামের একটি ধানক্ষেত থেকে বস্ত্রহীন অবস্থায় মাহবুবের লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত মাহাবুব ওই গ্রামের আশকর আলীর ছেলে। নিহত মাহবুব বন্দর কওমী মাদরাসায় পড়ালেখা করতেন। একই দিন ভিকটিম মাহাবুব কয়েকজন ‘খারাপ’ ছেলেদের সঙ্গে খেলাধুলা করলে তার বড় ভাই আবু হানিফ শাসন করেন।
পরে মাহাবুব রাগ করে বাড়ি থেকে চলে যায়। রাতে ১২টার দিকে তার ভাইকে বস্ত্রহীন মৃত অবস্থায় সেন্দী ধানক্ষেতে পাওয়া যায়। আদালতে আসামিরা স্বীকার করে যে, তাস খেলা নিয়ে সেদিন রাতে তাদের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। পরে সেই দ্বন্দ্বেই মাহাবুবকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করে ধানক্ষেতে ফেলে রাখে সৈকত, শামীম ও কাউসার। গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।