ঘটনাটি ঘটেছে লক্ষ্মীপুর পৌর শহরের মুক্তিগঞ্জ এলাকার গ্রীনলিফ সিএনজি ফিলিং স্টেশনে। নিহতরা হলেন- হৃদয় (১৯), ইউসুফ (৩২) ও সুজন (২৫)। হৃদয় লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের রাজিবপুর গ্রামের সিরাজের ছেলে। তিনি পেশায় মোটর মেকানিক। ইউসুফ পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্য বাঞ্চানগর গ্রামের সুজা মিয়ার ছেলে ও সুজন সদর উপজেলার চরমনসা গ্রামের বটু মিয়ার ছেলে।
আহতদের মধ্যে অন্তত ১০ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক জয়নাল আবেদীন। তিনি জানান, তিনজনকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে।
.png)
জয়নাল আবেদীন জানান, আহতদের নাম-পরিচয় এখনো জানা যায়নি। আহতদের ১০ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় ঢাকা মেডিকেলে পাঠানো হয়েছে।
ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়রা জানান, লক্ষ্মীপুর-রামগতি রুটে চলাচল করে মাইশা পরিবহন। রাত দেড়টার দিকে এই পরিবহনের একটি বাস গ্যাস নিতে গ্রীনলিফ গ্যাস স্টেশনে আসে। ফিলিং স্টেশন থেকে বাসের সিলিন্ডারে গ্যাস দেওয়ার সময় হঠাৎ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এ সময় বাসের ভেতরে কোনো যাত্রী ছিলেন না। তবে ফিলিং স্টেশনে গ্যাস নিতে আসা একাধিক অটোচালকসহ অন্তত ২৩ জন হতাহত হন। এ সময় আতঙ্কিত মানুষজন দিগ্বিদিক ছোটাছুটি করেন।
গ্যাস পাম্পের সিকিউরিটি কর্মী হুমায়ুন বলেন, বাসটিতে গ্যাস রিফিল করার সময় সেটি কেঁপে ওঠে। রিফিল কর্মী (নজেল ম্যান) দ্রুত গ্যাসের নজেল খুলে নেয়। সঙ্গে সঙ্গে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। বিকট শব্দে পাম্পের বিভিন্ন স্থানে থাকা কাচের গ্লাস ভেঙে যায়৷
একজন প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, বিকট শব্দে ভয় পেয়ে যাই। পরে এসে দেখি স্পটেই তিনজন মারা গেছেন।
ফিলিং স্টেশনের একজন কর্মী জানান, বাসের সিলিন্ডার সম্ভবত পুরাতন ছিলো। এ কারণে গ্যাসের প্রেসার নিতে পারেনি। তাই বিস্ফোরণ ঘটেছে।
লক্ষ্মীপুর ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা রনজিত কুমার দাস বলেন, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে পাঠিয়েছে।