জেলার সোনাতলা উপজেলা সদর থেকে মাত্র ৬-৭ কিলোমিটার দক্ষিণে ভেলুরপাড়া চারমাথা সংলগ্ন ড. এনামুল হক কলেজ। জাতীয় জাদুঘরের সাবেক মহাপরিচালক ড. এনামুল হকের নামানুসারে কলেজটি প্রতিষ্ঠিত। কলেজটিতে উচ্চ মাধ্যমিক, ডিগ্রি কোর্স চালু রয়েছে।
তাছাড়াও বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে এইচএসসি ও বিএ-বিএসএস কোর্স চালু রয়েছে। কলেজটি সীমানা প্রাচীরবেষ্টিত। সীমানা প্রাচীরের মধ্যে খেলার মাঠে লাগানো হয়েছে বিভিন্ন শাক-সবজি ও ফলমূলের গাছ। পাশাপাশি কলেজটির দুটি একাডেমিক ভবনের সামনে বিশাল ফাঁকা জায়গাজুড়ে হলুদ চাষ করা হয়েছে।
.png)
গাছগুলো উচ্চতায় সাড়ে ৪ ফুট থেকে সাড়ে ৫ ফুট হয়েছে। হলুদ বাগানের দুই পাশ দিয়ে রয়েছে কলেজের অভ্যন্তরীণ রাস্তা। সেই রাস্তা দিয়ে কলেজের দক্ষিণ পাশে কলেজ লাইব্রেরিতে যাতায়াত করে ছাত্রছাত্রীরা।
এ বিষয়ে কলেজের অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা বলেন, কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল মালেক কলেজ মাঠে শাক-সবজি ও হলুদ চাষ করেছেন। ফলে কলেজের মাঠে আমরা খেলাধুলা থেকে বঞ্চিত হচ্ছি। এছাড়াও হলুদ গাছের দক্ষিণ পাশে রয়েছে কলেজের স্থায়ী মঞ্চ। হলুদ চাষ করায় কলেজের বিভিন্ন অনুষ্ঠান দীর্ঘদিন যাবত বন্ধ রয়েছে।
শিক্ষার্থীরা আরো জানান, কলেজের পরিচয় এখন আর দেওয়া যাচ্ছে না। যারা দেখতে পাচ্ছে বা শুনতে পাচ্ছে এনামুল হক কলেজ মাঠে হলুদ চাষ কো হয়েছে, তারা কুদৃষ্টিতে দেখছে। কলেজ মাঠে হলুদ চাষ করা কোনো শিক্ষিত মানুষের জ্ঞান হতে পারে?
স্থানীয়রা জানান, কলেজ শাখায় ছেলেমেয়েরা লেখাপড়া করে। তারা প্রতিনিয়ত লাইব্রেরিতে প্রয়োজনীয় বই পড়ার জন্য যাতায়াত করে। কলেজ মাঠে হলুদ গাছের কারণে যেকোনো সময় অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে যেতে পারে।
ড. এনামুল হক কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল মালেক জানান, কলেজের মাঠটি নিচু ছিল। মাটি কেটে উঁচু করা হয়েছে। এছাড়া শিক্ষার্থীদের কৃষি বিষয় রয়েছে। সেই বিষয়ে ব্যবহারিক জ্ঞানের জন্য হলুদ চাষ করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও কলেজ গভর্নিং বডির সভাপতি স্বীকৃতি প্রামাণিক বলেন, এ বিষয়ে জানা নেই। কলেজ মাঠে হলুদ চাষ করতে পারে না। অভিযোগ পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।