শুক্রবার শ্রীবরদী উপজেলার ভেলুয়া ইউনিয়নের চকবন্দী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত সুমী আক্তার ঐ গ্রামের শফিকুল ইসলামের মেয়ে।
পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পারিবারিকভাবে গত ৩০ আগস্ট পার্শ্ববর্তী বারারচর গ্রামের মোহাম্মদ আলীর ছেলে আল আমিনের সঙ্গে বিয়ে হয় সুমী আক্তারের। আল আমিন ঢাকায় একটি গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিতে চাকরি করেন। বিয়ের পর ১২ দিন স্বামীর বাড়িতে ছিল সুমী। পরে বাবার বাড়ি আসে।
.png)
শুক্রবার তার স্বামী আল আমিন ছুটি নিয়ে ঢাকা থেকে বাড়ি আসার কথা ছিল। এর মধ্যে রহস্যজনক কারণে সুমী বাবার বাড়ির গোসলখানায় গলায় রশি বেঁধে আত্মহত্যা করে। বাড়ির লোকজন তাকে ঝুলতে দেখে থানায় খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মৃত সুমীর লাশ উদ্ধার করে।
সুমীর বাবা শফিকুল ইসলাম বলেন, বিয়ের পর থেকে সুমী মানসিকভাবে কিছুটা অস্বাভাবিক আচরণ করতো। আজ জামাই আসার কথা। কেন আত্মহত্যা করেছে তা বুঝতে পারছি না।
শ্রীবরদী থানার এসআই রফিকুল ইসলাম এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা প্রক্রিয়াধীন। মৃত্যুর কারণ অনুসন্ধান চলছে।