মৃত সালেহা বেগম ওই গ্রামের মৃত সিদ্দিক শিকদারের স্ত্রী।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহতের বড় ছেলে ইব্রাহীম শিকদার ও ছোট ছেলে বিপ্লব শিকদার জাহাজে চাকরি করেন। বিপ্লবের বয়স যখন ৬ মাস, তখন সালেহা বেগমের স্বামী মারা যান। তিনি দুই ছেলে, দুই ছেলের বউ এবং এক নাতি নিয়ে স্বামীর ভিটায় বসবাস করতেন।
.png)
শুক্রবার ভোরে নিহতের দেবর সুরত শিকদারের বাড়ির পাশে জামরুল গাছে সালেহার ঝুলন্ত মরদেহ দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে মরদেহটি উদ্ধার করে। পরিবারের দাবি বৃদ্ধা সালেহা বেগম দীর্ঘদিন যাবত পেটে ব্যথাসহ নানা সমস্যায় ভুগছিলেন। এ যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে তিনি আত্মহত্যা করেছেন।
নড়াগাতি থানার ওসি মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ঝুলন্ত অবস্থায় সালেহা বেগমের মরদেহ পাওয়া গেছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নড়াইল সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।