এর আগে, মঙ্গলবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বরুড়া উপজেলার আড্ডা বাজারের উত্তর পাশের মালেক মাস্টার বাড়ির পাশে এ ঘটনা ঘটে। পরে থানায় মামলা করেন ভুক্তভোগী। অভিযুক্তরা হলেন- উপজেলার আড্ডা এলাকার শফিক মিয়ার ছেলে মো. মানিক (৩৩), দুলাল মিয়ার ছেলে মো. রুবেল (২৮) এবং বাচ্চু মিয়ার ছেলে মো. বাপ্পি (২৫)।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরুড়া থানার ওসি কাজী নাজমুল হক।
.png)
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ভুক্তভোগী ওই গৃহবধূর স্বামী প্রবাসে থাকেন। কিছুদিন আগে স্বামীর বাড়ি একই উপজেলার ওড্ডা গ্রাম থেকে পাশাপাশি বেওলাইন বাবার বাড়িতে বেড়াতে আসেন। ওই গৃহবধূ ঘটনার দিন দুপুরে মাদরাসায় পড়ুয়া তার ভাইয়ের মেয়ে ও বোনের মেয়েকে নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। এ সময় আড্ডা বাজারের উত্তর পাশে মালেক মাস্টার বাড়ির পাশে সড়কে এসে অটোরিকশার জন্য অপেক্ষা করছিলেন তিনি। তার দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় অভিযুক্ত তিন বখাটে এসে ওই নারীকে তার নাম-পরিচয় জিজ্ঞেস করেন। পরে তার সঙ্গে থাকা শিশু দুটিকে চকলেটের লোভ দেখিয়ে দূরে সরিয়ে নেন বখাটেদের একজন। এ সময় অপর দুইজন ওই নারীর মুখ চাপা দিয়ে তাকে জোর করে পাশের একটি নলকূপ ঘরে নিয়ে যান।
মামলায় আরো অভিযোগ করা হয়, পরে শিশু দুটিকে সড়কের পাশে একটি ভবনের সিঁড়িতে চকলেট দিয়ে বসিয়ে রেখে ওই তিন বখাটে ভুক্তভোগী ওই নারীর হাত বেঁধে তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করেন। এ সময় ধর্ষণকারীরা তাদের মোবাইলে ধর্ষণের ভিডিও ধারণ করে এবং ঘটনার কথা কাউকে বললে ফেসবুকে ভাইরাল করে দেওয়ার হুমকি দেন। পরদিন বুধবার বিকেলে ওই নারী বাদী হয়ে তিনজনকে আসামি করে থানায় ধর্ষণের মামলা করেন।
বরুড়া থানার ওসি কাজী নাজমুল হক জানান, ধর্ষণের এ বিষয়ে মামলা হয়েছে। মামলায় অভিযুক্ত রুবেল নামের একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেফতারের জন্য পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে। আশা করি, দ্রুতই তাদের গ্রেফতার করতে পারব।