সোমবার সকালে উপজেলার মঠখোলা সড়কের আঙিয়াদী লাউতলী বাজারে এ দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটে।
পাকুন্দিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাখাওয়াৎ হোসেন দুর্ঘটনার তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।
.png)
আহতরা হলেন উপজেলার মঠখোলা জামালপুর গ্রামের কামাল মিয়ার স্ত্রী রানু আক্তার (৩২), শ্রীরামদী গ্রামের শামীম মিয়ার স্ত্রী মর্জিনা (২৪) ও মেয়ে তাবাসসুম (৮) এবং সৈয়দগাঁও এলাকার ওয়াহিদ মিয়া (৪০)। এদের মধ্যে রানু আক্তারের অবস্থা সংকটাপন্ন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সকালে মঠখোলা বাজার থেকে যাত্রীবাহী একটি সিএনজি চালিত অটোরিকশা পাকুন্দিয়ার উদ্দেশ্যে যাত্রা দেয়। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পাকুন্দিয়া-মঠখোলা সড়কের লাউতলী বাজার সংলগ্ন রাস্তায় পৌছলে বিপরীত দিক থেকে ছেড়ে আসা একটি বাসের সঙ্গে সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে সিএনজিটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এ সময় সিএনজিতে থাকা শিশু ও নারীসহ চারজন আহত হন। এদের মধ্যে এক নারীর অবস্থা সংকটাপন্ন। পরে স্থানীয় লোকজন আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য পাকুন্দিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে যান।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসক ডা.কামরুল ইসলাম সিদ্দিকী বলেন, দুপুর ১২টার দিকে দুর্ঘটনায় আহত হয়ে মোট ৪জন হাসপাতালে এসেছেন। এদের মধ্যে তিনজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাড়ি পাঠানো হয়েছে এবং একজন নারীর অবস্থা গুরুতর। তার ডান হাত ও পায়ের মাংস বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। মাথায়ও আঘাত পেয়েছেন। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কিশোরগঞ্জ শহিদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।