জানা গেছে, শহরতলীর ভাটকান্দি এলাকার মৃত হায়দার আলীর জামাই খোকন গোপনে বাড়িতে পটকা তৈরির কাজ শুরু করেন। বাড়ির একটি পরিত্যক্ত ঘরে পটকা তৈরির সরঞ্জামসহ কিছু বিস্ফোরক মজুত ছিল। দুপুরে হঠাৎ বিকট শব্দে ওই ঘরে বিস্ফোরণ হয়। এতে ঘরের টিনের চালা উড়ে গিয়ে বাইরে পড়ে।
নারুলী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ তারিকুল ইসলাম বলেন, বিস্ফোরণের সময় খোকনের স্ত্রী শিল্পী ছাগল নিয়ে মাঠে গিয়েছিলেন। খোকনও বাড়িতে ছিলেন না। ধারণা করা হচ্ছে, প্রচণ্ড রোদ এবং গরমে বিস্ফোরণ হতে পারে এবং ঘটনার পর থেকেই খোকন পলাতক রয়েছেন।
.png)
উল্লেখ্য, গত ২৯ এপ্রিল রাত সাড়ে ৮টার দিকে ভাটকান্দির মালতিনগর এলাকায় রেজাউল করিমের বাড়িতে পটকা তৈরির সময় বিস্ফোরণ হয়। এতে বাড়িটির টিনশেড ও তিনটি ঘর বিধ্বস্ত হয়। এ সময় চার নারী আহত হন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাসনিম বুশরা নামে এক স্কুলছাত্রী মারা যায়। এরপর থেকে এলাকাবাসী পটকা কারখানা বন্ধের দাবি জানিয়ে আসছিলেন।