শনিবার বিকেলে এ তথ্য জানিয়েছেন হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিল্টন চাকমা। এর আগে, শুক্রবার বিকেল থেকে সন্ধ্যার মধ্যে মেঘনা নদীর কয়েকটি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
ডুবে যাওয়া ট্রলারগুলোর মালিকরা হলেন- বাবর মাঝি, জান মিয়া, দেলোয়ার মাঝি, হেলাল উদ্দিন, শহীদ মাঝি, মেহরাজ মাঝি ও ইউনুছ মাঝি।
.png)
স্থানীয়রা জানান, গত কয়েকদিনে মাছ ধরার জন্য উপজেলার বিভিন্ন ঘাট থেকে গভীর সাগরে যায় বেশ কয়েকটি মাছ ধরার ট্রলার। সাগর উত্তাল থাকায় বিকেল থেকে মাছ ধরার ট্রলারগুলো ঘাটে ফিরতে শুরু করে। ঘাটে ফেরার সময় ট্রলার গুলো বৈরী আবহাওয়ায় ঝড়ো বাতাসের কবলে পড়ে মেঘনা নদীর মোহনায় বিভিন্ন সময়ে ১০টি মাছ ধরার ট্রলার ডুবে যায়। পরে পাশে থাকা মাছ ধরার অন্য ট্রলারগুলো কিছু জেলেকে উদ্ধার করে। তবে জেলেদের মাছ ধরার জাল ট্রলারসহ নদীতে তলিয়ে যায়। এছাড়া মেঘনা নদীতে আরো কয়েকটি ট্রলার রয়েছে। সেগুলোর এখনো কোনো খবর পাওয়া যায়নি। দুর্ঘটনায় দেলোয়ার মাঝি নামে এক ব্যক্তি গুরুতর আহত হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
হাতিয়ার ইউএনও মিল্টন চাকমা বলেন, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপটি নিম্নচাপে রূপ নেয়ার পর থেকে বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন মেঘনা নদী উত্তাল হয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি আলোকে শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে নোয়াখালীর হাতিয়ার সঙ্গে সারাদেশের নৌ যোগাযোগ বন্ধ ঘোষণা করেছে উপজেলা প্রশাসন। নিখোঁজ জেলেদের বিষয়ে সার্বিক খোঁজখবর নেয়া হচ্ছে।