বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন টেকনাফ ২-ব্যাটালিয়ন (বিজিবি)অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. মহিউদ্দীন আহমেদ।
তিনি জানান, শনিবার সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হ্নীলা বিওপির বিআরএম-১২ সংলগ্ন চৌধুরীপাড়া এলাকা দিয়ে মাদকের একটি চালান মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে আসতে পারে। এমন তথ্যে হ্নীলা বিওপির একটি চোরাচালান প্রতিরোধ টহলদল ঐ এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় দুইজনকে একটি ব্যাগ হাতে নিয়ে সীমান্তের শূন্য লাইন থেকে আনুমানিক ২০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে নাফ নদী পার হয়ে চৌধুরীপাড়া এলাকার দিকে আসতে দেখে। তাদের গতিবিধি সন্দেহজনক হওয়ায় টহলদল তাদেরকে চ্যালেঞ্জ করলে বিজিবি টহলদলের উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারিরা একটি ব্যাগ ফেলে নাফ নদীতে সাঁতরিয়ে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে টহলদল চোরাকারবারিদের ফেলে যাওয়া একটি ব্যাগ তল্লাশি করে ৯০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এসময় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
.png)
তিনি আরো জানান, চোরাকারবারিদের শনাক্ত করার জন্য অত্র ব্যাটালিয়নের গোয়েন্দা কার্যক্রম চলমান রয়েছে।