বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন টেকনাফ ২-ব্যাটালিয়ন (বিজিবি) অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. মহিউদ্দীন আহমেদ।
তিনি জানান, বৃহস্পতিবার ভোরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে টেকনাফ বিওপি’র দায়িত্বপূর্ণ বিআরএম-৬ থেকে আনুমানিক ৮০০ গজ পূর্বদিকে মিজজীর জোড়া নামক এলাকা দিয়ে মাদকের একটি চালান মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে আসতে পারে- এমন তথ্যে টেকনাফ বিওপি’র চোরাচালান প্রতিরোধ নৌ টহলদল মিজজীর জোড়া এলাকায় অভিযান চালায়।
.png)
এ সময় দুইজন ব্যক্তিকে নাফ নদীতে সাঁতরিয়ে সীমান্তের শূন্য লাইন অতিক্রম করে বাংলাদেশের জলসীমায় আসতে দেখে তারা। তাদের দেখামাত্রই চ্যালেঞ্জ করলে বিজিবি টহলদলের উপস্থিতি অনুধাবন করা মাত্রই তাদের সঙ্গে থাকা কয়েকটি পোটলা নদীতে ভাসিয়ে দ্রুত সাঁতরিয়ে পুনরায় মিয়ানমারের অভ্যন্তরে পালিয়ে যায়।
পরে টহলদল নদীতে ভাসমান অবস্থায় চোরাকারবারিদের ফেলে যাওয়া দুটি প্লাস্টিকের ব্যাগের ভেতর থেকে ১ লাখ ২০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। এ সময় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
তিনি আরো জানান, চোরাকারবারিদের শনাক্ত করার জন্য ব্যাটালিয়নের গোয়েন্দা কার্যক্রম চলমান রয়েছে।