শনিবার (৩১ আগস্ট) সকালে উপজেলার সন্তোষপুর গ্রামের একটি খালের তীরে পুঁতে রাখা অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত আনোয়ার মোল্লা ওরফে আনো বাগেরহাট শহরের মাঝিডাঙ্গা এলাকার সলেমান মোল্লার ছেলে। গ্রেফতারকৃতরা হলেন- কচুয়া উপজেলার গজালিয়া গ্রামের মো. সজীব শেখ (২১) ও পিরোজপুর জেলার নাজিরপুর উপজেলার বাকশি গ্রামের সাগর (১৯)।
.png)
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চিতলমারী থানার ওসি স্বপন কুমার রায়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার রাতে বাগেরহাট শহরের বড় বাজার থেকে যাত্রী নিয়ে চিতলমারীর উদ্দেশে রওনা দেন আনোয়ার মোল্লা। অনেক রাত হওয়ার পরেও বাড়ি না ফেরায় পরিবারের লোকজন খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে আনোয়ারের ইজিবাইকে লাগানো মটোলক (লোকেশন ট্র্যাকার) ডিভাইসের মাধ্যমে ইজিবাইকটির অবস্থান জানা যায়। মটোলক ডিভাইসের টেকনিশিয়ান এনামুল আহসান তিতাস ও আনোয়ারের ভাই দেলোয়ার মোল্লাসহ কয়েকজনের সহায়তায় পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলার শিয়ালকাঠি চৌরাস্তা মোড় থেকে ইজিবাইকসহ মো. সজীব শেখ ও সাগরকে আটক করে পুলিশ। পরে রাতেই চিতলমারী থানায় দুজনের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা করা হয়। তাদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী খালের তীরে থেকে পুঁতে রাখা আনোয়ার মোল্লার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
চিতলমারী থানার ওসি স্বপন কুমার রায় বলেন, মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়। আসামিদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আরো কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।