সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ব্রহ্মপুত্র নদীর পানি ৫.৩৯ মিটার, মেঘনা নদীর পানি ১.৭৬ মিটার ও ধনু নদীর পানি ১.০৯ মিটার বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়া সোমেশ্বরী নদীর পানি ০.৯৮ মিটার ও উবদাখালী নদীর পানি ০.৩৪ মিটার বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ভোগাই নদীর পানি ৪.৬৬ মিটার ও পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদীর পানি ৬.৩০ মিটার এবং চেল্লাখালী নদীর পানি ১.১৫ মিটার বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
এ অবস্থায় এসব এলাকায় নদ-নদীর পানি আগামীতে বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা কম বলে জানা যায়। এখন পর্যন্ত উপরোক্ত জেলা সমূহে বন্যা না হওয়ায় কৃষিজমি, মৎস্য খামার ও জানমালের কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।
.png)
তবে বন্যা মোকাবিলায় ময়মনসিংহ জেলায় ৮০০ মেট্রিক টন চাল ও ১৫ লাখ টাকা, কিশোরগঞ্জ জেলায় ৬৫০ মেট্রিক টন চাল ও ১৫ লাখ টাকা এবং শুকনা খাবার ৭০০ প্যাকেট, নেত্রকোণা জেলায় ১০৫০ মেট্রিক টন চাল ও ২০ লাখ ৮৮ হাজার টাকা এবং শুকনা খাবার ২৩৮০ প্যাকেট, শেরপুর জেলায় ৫৯৫ মেট্রিক টন চাল ও ১২ লাখ টাকা মজুদ রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়।