ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

ময়মনসিংহ অঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতি সম্পর্কে যা জানা গেল

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ০৯:২১, ২৯ আগস্ট ২০২৪
ময়মনসিংহ অঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতি সম্পর্কে যা জানা গেল
ছবি: সংগৃহীত

ভারতের মেঘালয় ও ত্রিপুরা রাজ্যে গত কয়েক দিনের ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল এবং স্থানীয় বৃষ্টিপাতের ফলে ময়মনসিংহ জেলার ব্রহ্মপুত্র, কিশোরগঞ্জ জেলার মেঘনা ও ধনু নদী, নেত্রকোণা জেলার সোমেশ্বরী ও উবদাখালী এবং শেরপুর জেলার ভোগাই, পুরাতন ব্রহ্মপুত্র ও চেল্লাখালী নদীর পানি কিছুটা বৃদ্ধি পেলেও তা বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে এসব এলাকায় বন্যা হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই বললে চলে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ব্রহ্মপুত্র নদীর পানি ৫.৩৯ মিটার, মেঘনা নদীর পানি ১.৭৬ মিটার ও ধনু নদীর পানি ১.০৯ মিটার বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়া সোমেশ্বরী নদীর পানি ০.৯৮ মিটার ও উবদাখালী নদীর পানি ০.৩৪ মিটার বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ভোগাই নদীর পানি ৪.৬৬ মিটার ও পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদীর পানি ৬.৩০ মিটার এবং চেল্লাখালী নদীর পানি ১.১৫ মিটার বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

এ অবস্থায় এসব এলাকায় নদ-নদীর পানি আগামীতে বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা কম বলে জানা যায়। এখন পর্যন্ত উপরোক্ত জেলা সমূহে বন্যা না হওয়ায় কৃষিজমি, মৎস্য খামার ও জানমালের কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।

Advertisement

তবে বন্যা মোকাবিলায় ময়মনসিংহ জেলায় ৮০০ মেট্রিক টন চাল ও ১৫ লাখ টাকা, কিশোরগঞ্জ জেলায় ৬৫০ মেট্রিক টন চাল ও ১৫ লাখ টাকা এবং শুকনা খাবার ৭০০ প্যাকেট, নেত্রকোণা জেলায় ১০৫০ মেট্রিক টন চাল ও ২০ লাখ ৮৮ হাজার  টাকা এবং শুকনা খাবার ২৩৮০ প্যাকেট, শেরপুর জেলায় ৫৯৫ মেট্রিক টন চাল ও ১২ লাখ টাকা মজুদ রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমকে
ট্যাগ: ময়মনসিংহ
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!