জানা গেছে,জেলার ১৩টি উপজেলার মধ্যে হোসেনপুরের মাতৃ মিষ্টান্ন ভান্ডারের মিষ্টির চাহিদা রয়েছে ব্যাপক। এখানকার প্রস্তুতকৃত মিষ্টান্ন স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করা হয়ে থাকে। বিয়ে, বৌ-ভাত, জন্মদিন, পূজাপার্বণ, মৃত্যুবার্ষিকী, খতনা, জাতীয় দিবসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানের জন্য দূর দূরান্ত থেকে এ প্রতিষ্ঠানের মিষ্টি সংগ্রহ করেন ক্রেতারা। এ প্রতিষ্ঠানের মিষ্টি দেশের শীর্ষ স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ খেয়ে তৃপ্তি পেয়েছেন।
মিষ্টি তৈরির মূল উপাদান হচ্ছে গরুর দুধ আর চিনি। প্রথমে দুধ থেকে ছানা তৈরি করা হয়৷ পরে বিভিন্ন ধাপে সেগুলো থেকে মিষ্টি তৈরি করা হয়। এ দোকানে দীর্ঘদিন ধরে একই কারিগররা মিষ্টি তৈরী করে আসছেন৷
.png)
সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, মিষ্টির গুণগত মান ভালো থাকায় প্রতিদিন শত শত মানুষ মিষ্টি কেনার জন্য মাতৃ মিষ্টান্ন ভান্ডারে ভিড় করছেন।
মিষ্টি ক্রয় করতে আসা উপজেলার বাসুরচর গ্রামের মো.নোমান মিয়া জানান, বাড়ির মেহমানদের আপ্যায়নের জন্য এ দোকানের মিষ্টি কিনে নিয়ে যাচ্ছি। এ দোকানের মিষ্টির স্বাদ মুখে লেগে থাকার মতো।
মিষ্টি কিনতে আসা পুমদী এলাকার মো. সাইফুল ইসলাম জানান, সবসময় মিষ্টির স্বাদ ও মান একইরকম থাকায় থাকায় বার বার এ দোকান থেকে মিষ্টি কিনে থাকি।
স্থানীয় ভোজন বিলাসী রিপন মিয়া জানান, এ দোকানের খাঁটি দুধের পেয়ারা ও রসমলাই খেয়ে খুবই তৃপ্তি পেয়েছি।
মাতৃ মিষ্টান্ন ভান্ডারের প্রতিষ্ঠাতা অশিতি রঞ্জন দেবের পুত্র গৌরাঙ্গ চন্দ্র দেব ও নূপুর চন্দ্র দেব জানান, বর্তমানে মিষ্টি তৈরির উপকরণের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে৷ তবুও আমরা সবসময় গুণগত মান অক্ষুন্ন রাখার চেষ্টা করি। তাদের এ প্রতিষ্ঠানটি উপজেলার শত বছরের পুরনো। তারা আরো জানান, এ প্রতিষ্ঠানের ঐতিহ্য ধরে রাখতে আজীবন শ্রম দিয়ে যাবেন।
হোসেনপুর পৌরসভার সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো. রবি হোসেন জানান, হোসেনপুর বাজারের ঐতিহ্যবাহী মাতৃ মিষ্টান্ন ভান্ডার সুনামের সহিত দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসা করে আসছে।