শুক্রবার পৌর শহরের শহিদ আইভি রহমান স্টেডিয়ামের কয়েকটি কক্ষে ভৈরব থানার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য অস্থায়ী কার্যালয়ের উদ্বোধন করা হয়। সেখানে লে. কর্নেল আফরিনের কাছে ৪৬টি অস্ত্র জমা দেন শিক্ষার্থীরা। এর আগে গত তিন দিনে আরো ১৯টি অস্ত্র জমা দিয়েছে শিক্ষার্থীরা।
জানা যায়, গত (৫ আগস্ট) বিকেলে ভৈরব থানায় ভাঙচুর চালায় দুর্বৃত্তরা। থানা থেকে কোনো রকমে পালিয়ে প্রাণে বাঁচেন পুলিশ সদস্যরা। এরপর থানার বিভিন্ন অস্ত্র, মোটরসাইকেলসহ পুলিশের বিভিন্ন সরঞ্জাম লুট করা হয়। পরদিন সকাল থেকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা এলাকায় মাইকিং করে থানা থেকে লুট হওয়া অস্ত্রসহ সরঞ্জামাদি ফেরত দেওয়ার আহ্বান জানান। এরপর সেগুলো সংগ্রহ শুরু করেন তারা। গত চার দিনে ভৈরবে অবস্থানরত সেনাবাহিনীর কাছে ৬৫টি অস্ত্র, ৫৫২টি বুলেট, ৪৬টি মোটরসাইকেল ও তিনটি ভিবাটেকসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম বুঝিয়ে দেন শিক্ষার্থীরা।
.png)
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক নূরে আলম নিলয় বলেন, গত (৫ আগস্ট) দেশে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে কিছু দুর্বৃত্ত ভৈরব থানায় লুট করে। আমরা ছাত্রসমাজ কোনোভাবেই এর সঙ্গে জড়িত নই। দেশ গড়ার দায়িত্ব আমাদের। আমরা ছাত্ররা দায়িত্ব নিয়েই থানা থেকে লুট হওয়া অস্ত্র, মোটরসাইকেল, বুলেট, ভিবাটেকসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করে জমা দিয়েছি।
এতে সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন রিয়াদ ইসলাম, আকিব আহমেদ, ফাহিম মিয়া, মবিন মিয়া, সাব্বির রহমান, দ্বীন ইসলাম।