ডুবে যাওয়া এফবি মায়ের দোয়া নৌকাটি বরগুনা সদর উপজেলার ঢলুয়া ইউনিয়নের নলী এলাকার মধু মিয়ার মালিকানাধীন। নিখোঁজ ইলিয়াস একই এলাকার বাসিন্দা। তার বাবার নাম জানা যায়নি।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন বরগুনা জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী।
.png)
তিনি জানান, গত রোববার বিকেলে পাথরঘাটা মৎস্য ঘাট থেকে বাজার সদাই করে ১৩ জন মাঝিমাল্লা নিয়ে মাছ শিকারের জন্য বঙ্গোপসাগরে যান। এ সময় আবহাওয়া খারাপ হওয়ায় সাগর উত্তাল হয়ে পড়ে। সাগরে মাছ ধরার সময় হঠাৎ নৌকাটি উল্টে ডুবে যায়। ডুবে যাওয়া নৌকার ১১ জেলেকে ভাসমান অবস্থায় একটি ট্রলার উদ্ধার করলেও ইলিয়াসকে উদ্ধার করতে পারেনি। আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে উদ্ধার হওয়া জেলেদের বাড়িতে পাঠানো হবে। তাদের বাড়ি বরগুনার জেলার বিভিন্ন এলাকায়। সাগর উত্তাল থাকায় নিখোঁজ জেলের সন্ধানে কোনো উদ্ধার-ট্রলার পাঠানো যাচ্ছে না।
ডুবে যাওয়া ট্রলারের মালিক মধু মিয়া বলেন, ধারদেনা করে প্রায় ২৫ লাখ টাকা খরচ করে ট্রলারটি বানিয়ে রোববার সাগরে পাঠাই। বৃহস্পতিবার সকালে ট্রলারটি ডুবে যায়। এখন আমি নিঃস্ব হয়ে গেছি।
দক্ষিণ স্টেশন কোস্টগার্ড পাথরঘাটা স্টেশনের কমান্ডার লেফটেন্যান্ট শাকিব মেহবুব বলেন, এখন পর্যন্ত আমাদের কাছে কেউ বিষয়টি জানায়নি। ট্রলারটি পাথরঘাটা থেকে ১০০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্ব এলাকায় ডুবেছে। যা চট্টগ্রাম জোনের আওতায়। মালিক সমিতির সঙ্গে কথা বলে বিস্তারিত জেনে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানাচ্ছি।