বিষয়টি নিশ্চিত করেন কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার প্রশান্ত বণিক। তিনি বলেন, মুক্তির আদেশ রাত সাড়ে ৯টার দিকে কারাগারে গেলে তাদের মুক্তি দেওয়া হয়।
এর আগে, রাত ৮টার দিকে এই শুনানি করেন লিগ্যাল এইডের আইনজীবী শামীম আল মামুন। শুনানি শেষে জামিন মঞ্জুর করেন রংপুর মেট্রোপলিটন চিফ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক এফ এম আহসানুল হক রানা।
.png)
লিগ্যাল এইডের আইনজীবী শামীম আল মামুন বলেন, সরকারি উদ্যোগে লিগ্যাল এইডে এই শুনানি করা হয়। বিশেষ আদালত শুক্রবার রাত ৮টার দিকে শুনানি শেষে শিক্ষার্থী বিবেচনায় এই জামিন মঞ্জুর করেন।
রংপুর সিএমএম আদালতের জিআরও এসআই হাফিজ বলেন, শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে রাতে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। আদালত শুনানি শেষে তাদের জামিন মঞ্জুর করেন।
আদালত সূত্র জানায়, জামিন হওয়া আট শিক্ষার্থীর মধ্যে আব্দুল্লাহ ইবনে জুবায়ের, মুহিন, আল মারজান, পাভেল মিয়া, আমির হামজা ওরফে আমির, মো. সৌরভ মিয়াকে তাজহাট থানা ভাঙচুর ও আবু সাঈদ হত্যা মামলার আসামি করা হয়। বাকিরা হলো, তৌফিক ওমর ধ্রব ও নিয়াজ আহমেদ রকি। তারা দুইজন নাশকতা মামলার আসামি। এরমধ্যে আমির হামজা ও তৌফিক ওমর ধ্রুব এইচএসসি পরীক্ষার্থী এবং পাভেল মিয়া এসএসসি পাস।
সহকারী পুলিশ কমিশনার (ভারপ্রাপ্ত আদালত) শুভ্রত ব্যানার্জি বলেন, আমরা বিভিন্নভাবে জানতে পারি তারা শিশু-কিশোর। পরে তাদের পক্ষে আদালতে আবেদন করা হলে শুনানি শেষে তাদের জামিন মঞ্জুর হয়। কোনো শিশু-কিশোর আটক বা গ্রেফতার থাকলে তাদের জামিন বিষয়ে বিবেচনা করা হবে।