পর্যটন সংশ্লিষ্টরা জানান, বান্দরবান সদরে নীলাচল, মেঘলা, গোল্ডেন টেম্পল, নীলগিরি, শৈলপ্রপাত ও প্রান্তিক লেক ভ্রমণে এসে এসব পর্যটক আটকা পড়েছিলেন। আটকা পড়াদের তিনদিন হোটেল ভেদে ৪০-৫০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দেওয়া হয়েছে। পরে ট্যুরিস্ট পুলিশ ও জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে নিরাপত্তা দিয়ে তাদের কেরানীহাট পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়া হয়।
হোটেল গার্ডেন সিটির সত্ত্বাধিকারী মো. জাফর উল্লাহ বলেন, তার হোটেলে ঢাকা থেকে আসা ৬ জন পর্যটক আটকা পড়েছিলেন। গত সোমবার সবাই চলে গেছেন। আটকা পড়া পর্যটকদের রুম বাবদ ৫০ শতাংশ ভাড়া কম নিয়েছি। পর্যটকরা যেরকম ভাড়া দিতে চেয়েছে, সেরকম টাকা নিয়েছি।
.png)
আল আকসা রেস্টুরেন্টের ব্যবস্থাপক মাহাবুব আলম বলেন, বান্দরবানে আটকা পড়া পর্যটকদের যারা খেতে আসছেন খাবার বাবদ যথেষ্ট ছাড় দিয়েছি। যদিও খাবার হোটেল ও রেস্টুরেন্টে খাবার বাবদ ছাড় দেওয়ার সুযোগ কম থাকে তারপরও মানবিক কারণে যথেষ্ট ছাড় দিয়েছি।
হোটেল মালিক সমিতির সভাপতি অমল কান্তি দাশ বলেন, বান্দরবানে ভ্রমণে এসে আটকা পড়া পর্যটকদের আবাসিক হোটেলগুলো, হোটেল ভেদে ৪০-৫০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দিয়েছে। যদিও খাবার হোটেলে ছাড় দেওয়ার সুযোগ কম থাকে, তারপরও কিছুটা ছাড় দিয়েছে। মানবিক জায়গা থেকে এ ছাড় দিয়েছে বলে জানিয়েছেন।
বান্দরবান টুরিস্ট পুলিশের পরিদর্শক মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, গত তিন দিনে (২০, ২১ ও ২১ জুলাই) প্রায় ১৫০ জনের মতো পর্যটককে জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে তিনটি বড় বাসে করে নিরাপত্তা দিয়ে চট্টগ্রাম কেরানীহাট পর্যন্ত পৌঁছে দিয়েছি।