রোববার দুপুর সোয়া ১২টার দিকে এক রায়ে আসামিদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেন বগুড়ার বিশেষ জজ মো. শহীদুল্লাহ।
আসামিরা হলেন, শাখা ব্যবস্থাপক জোবায়েনুর রহমান, জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ইশরাত জাহান ও মাহাতাব হোসেন। এরমধ্যে ব্যবস্থাপক জোবায়েনুরকে তিনটি ধারায় (১০+১০+৭) ২৭ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। দুই জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের পাঁচ বছর করে এবং তিন গ্রাহক আজমল হোসেন, জাহিদুর রহমান ও মোশাররফ হোসেনসহ প্রত্যেককে সাত বছরের সাজা দেওয়া হয়।
.png)
রোববার দুপুরে দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি)আবুল কালাম আজাদ বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
মামলার বরাতে তিনি জানান, জোবায়েনুর রহমান বিভিন্ন সময় পে-অর্ডার থেকে ভুয়া ঋণ সৃষ্টি করে ২ কোটি ৬৯ লাখ ১ হাজার ৮০১ টাকা আত্মসাৎ করেন। তাকে সহযোগিতা করেন তিন গ্রাহক।
২০১৮ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি রূপালী ব্যাংকের মহাস্থান শাখার ব্যবস্থাপক জোবায়েনুর রহমান চা খাওয়ার কথা বলে ব্যাংক থেকে বের হন। এরপর থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। ব্যাংক ম্যানেজার নিখোঁজের সংবাদ চারিদিকে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাংকে আমানত জমাকারী গ্রাহকরা তাদের হিসাব দেখার চেষ্টা করেন এবং অনেকেই অভিযোগ করেন তাদের হিসাবের গড়মিল পাওয়া গেছে। পরে ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেন।
তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে ২ কোটি ৬৯ লাখ ১ হাজার ৮০১ টাকা জালিয়াতি করে আত্মসাৎ করার সত্যতা পাওয়ায় রূপালী ব্যাংকের বগুড়া অঞ্চলের ডিজিএম সরদার মো. হাবিবুর রহমান বাদী হয়ে মামলা করেন। পরে ২০১৮ সালে আদালতে চার্জশিট দাখিল হয়। সেই মামলায় রোববার রায় দেন বিচারক।