প্রত্যক্ষদর্শী শিক্ষার্থী আব্দুল মমিন জানায়, আমরাসহ জিসান বিদ্যালয়ে আসি। তখন প্রধান শিক্ষিকা মদিনা খাতুন জিসানকে ডেকে স্কুলের টিনের চালায় উঠিয়ে দেন। এ সময় জিসান টিনের চালায় আটকে হাত-পা ছুঁড়তে থাকে। এ সময় ম্যাডামকে ঘটনাটি বললে তিনি তখন বলেন ও এমনিতেই এমন করছে, কোনো সমস্যা নেই। পরে আমরা পরিবারের সদস্যদের ডেকে এনে বিদ্যুতের লাইন বন্ধ করে জিসানকে টিনের চালা থেকে নামিয়ে আনি।
প্রত্যক্ষদর্শী এলাকাবাসীরা বলেন, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট ছাত্রটিকে আমরা উদ্ধার করে দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠিয়ে দিই।
.png)
বিষয়টি নিয়ে প্রধান শিক্ষিকার সঙ্গে কথা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমি ক্লাসে ছিলাম। আমি টিনের চালায় জিসানকে উঠিয়ে দিইনি। তারা নিজেরাই উঠেছে। এ সময় তিনি সাংবাদিকদের হুমকির সুরে বলেন, আমার দুই ভাইও কিন্তু সাংবাদিক।
চিকিৎসক আব্দুল্লা আল জুবায়ের বলেন, সকাল সাড়ে ১০টার সময় জিসান নামের ছেলেটিকে হাসপাতালে আনলে বিপি ও পালস পরীক্ষা করে মৃত ঘোষণা করা হয়। তার শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন ছিল না। থানায় খবর দেওয়ার পরে পুলিশ এসে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ নিয়ে গেছে।
এ ব্যাপারে দৌলতপুর থানার ওসি মাহবুবুর রহমান বলেন, আমরা শুনেছি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একটি ছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। এ ব্যাপারে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।