এর আগে রোববার রাতে বাড়ির পাশের পুকুর থেকে মো. মাহিম হোসেন নামে পাঁচ বছর বয়সী আরেকটি শিশুর লাশ উদ্ধার করে স্বজনরা। মাহিম হোসেন উপজেলার খাষপুখুরিয়া ইউপির পশ্চিম কোদালিয়া গ্রামের মো. মজনু মিয়ার ছেলে।
স্থানীয় ও শিশুদের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, নদীর তীরবর্তী এলাকা হওয়ায় তলিয়ে গেছে চৌহালীর বিভিন্ন এলাকা। সোমবার সকালে মা রান্না করছিল। এ সুযোগে সবার চোখ ফাঁকি দিয়ে বাড়ির পাশের যমুনা নদীতে চলে যায় কাউছার। বেশ কিছুক্ষণ তাকে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন স্বজনরা। একপর্যায়ে নদীতে তার লাশ পাওয়া যায়।
.png)
অন্যদিকে মাহিম হোসেন বাড়ির পাশের পুকুরে ডুবে মারা যায়৷
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহবুব হাসান জানান, নিহত দুই শিশুর পরিবারকে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে ২৫ হাজার টাকা করে মোট ৫০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বন্যার সময় বাড়ির শিশুদের বাড়তি নজরে রাখা, সাঁতার শেখানোর পরামর্শ দেওয়াসহ অভিভাবকদের বিভিন্নভাবে সচেতন করা হচ্ছে।