বেশকিছু দিন আগে জেলা পুলিশ তথা কিশোরগঞ্জ মডেল থানা পুলিশ সেতুর দুপাশের কাঁচাবাজার উচ্ছেদ করে। কিন্তু কিছুদিন যেতে না যেতেই যেই লাউ সেই কদু! অর্থাৎ পুনরায় সেতুর দুইপাশ দখল করে কাচাঁবাজার বসায় ভাসমান অস্থায়ী ব্যবসায়ীরা। এতে আবারো দুর্ভোগে পড়েছে পথচারী ও জনসাধারণ। তবে বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় আবারো ভাসমান অস্থায়ী দোকান পেতে বসেছে বলে জানিয়েছে ব্যাবসায়ীরা। তাদের বসার অন্য কোন স্থান না থাকায় প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে এখানেই সেতুর ওপর বিভিন্ন শাক-সবজি ও কাঁচাবাজার নিয়ে বসেছেন তারা। পথচারী ও জনসাধারণ বলছে, তাদের দুর্ভোগের কথা।
সরজমিন দেখা যায়, বড়বাজার এলাকার মাছমহল সেতুর দুইপাশে বিভিন্ন কাঁচা শাক-সবজির পসরা সাজিয়ে বসেছে ভাসমান অস্থায়ী ব্যবসায়ীরা।
.png)
এ সময় কথা হয় পথচারী জামিল আহমেদের সঙ্গে। তিনি বলেন, কিছুদিন আগে পুলিশ এসে তাদের উঠিয়ে দিলেও কদিন পরেই আবার তারা দোকান পেতে বসেছেন। এতে চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে আমাদের।

পথচারী সাগর মিয়া বলেন, সেতুর দুইপাশের বাজারের কারণে সেতু দিয়ে চলাফেরা করা দায় হয়ে গেছে।
আরেক পথচারী রিয়াদ বলেন, কিছুদিন আগে সেতুর দুইপাশ খালি করায় খুব ভালো লেগেছিল। আমরা ঠিকমতো চলাফেরা করতে পারতাম। কিন্তু এখন আবার দুইপাশে বাজার বসায় চলাফেরা করা খুবই কষ্টকর।
রিকশাচালক রুবেল মিয়া বলেন, ব্রিজের দুই পাশের বাজারের জন্য রিকশা নিয়ে যেতে খুব কষ্ট হয়। ফলে সব সময় যানজট লেগে থাকে।
সেতুর দুই পাশের ভাসমান অস্থায়ী কাঁচাবাজার ব্যাবসায়ীরা বলেন, আমাদের যাওয়ার আর কোনো জায়গা নেই। তাই বাধ্য হয়েই এখানে বসেছি। এসব কাঁচামাল শাক-সবজি বিক্রি করতে না পারলে পরিবার পরিজন নিয়ে না খেয়ে মরতে হবে।
এদিকে সেতুর দুইপাশের জায়গা আবারো উচ্ছেদ করা হবে বলে জানিয়েছে কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানা পুলিশ।
কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা বলেন, আমরা কিছুদিন আগে সেতুর দুইপাশের কাঁচাবাজার উচ্ছেদ করেছিলাম। আবারো তারা বাজার বসিয়েছে। অচিরেই আবার সেতুর দুইপাশের বাজার উচ্ছেদ করা হবে।
পৌর মেয়র পারভেজ মিয়া বলেন, পথচারী ও জনসাধারণ যেন নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারে সেজন্য আবারো উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে সেতুর দুইপাশের ফুটপাত উদ্ধার করা হবে।