জানা যায়, নিহত ঈদুল হাসান আরমান উপজেলার গরেরগাঁও গ্রামের বাসিন্দা সৌদি প্রবাসী সুমন মিয়ার ছেলে।
ছুরিকাঘাতে আহত রফিক মিয়া সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালক ও নিহত আরমানের খালু। বর্তমানে তিনি সিলেটের এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
.png)
নিহত ঈদুল হাসান আরমানের মা রহিমা আক্তার অভিযোগ করে বলেন, তার ছেলেকে ঘুম থেকে ডেকে তুলে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। তিনি এই হত্যাকাণ্ডের বিচার চান।
স্বজন ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আরমান গতকাল রাতে ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন। রাত ১২টার দিকে প্রতিবেশী তানভীর আহমদ ঘরের সামনে এসে তাকে ডাকাডাকি করতে থাকেন। এক পর্যায়ে আরমান ঘুম থেকে উঠে ঘরে থেকে বের হন। তৎক্ষণাৎ তানভীর ধারালো ছুরি দিয়ে আরমানের ঘাড়ের ডান পাশে আঘাত করেন। এ সময় আরমানের খালু রফিক মিয়া কাজ শেষে বাড়ি ফিরছিলেন। ঘটনাটি দেখে তিনি বাধা দিতে গেলে তানভীর তাকেও এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় আরমানকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়ার পথে তিনি মারা যান। পরে আহত রফিক মিয়াকে সিলেটের এম এ জি ওসমানী মেডিকেল হাসপাতালে পাঠানো হয়।
রাতে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযান চালিয়ে তানভীর, তানভীরের বাবা ইয়াজ মিয়া, ভাই তুহিন আহমদ ও চাচা তাজ মিয়াকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
রোববার দুপুরে জুড়ী থানার ওসি এস এম মাঈন উদ্দিন বলেন, এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন। আটককৃতদের মামলায় গ্রেফতার দেখানো হবে।