ক্রীড়া সংগঠক বদরুল হুদা জেনু বলেন, ১৯৬৪ সালে ঈদগাহের পাশে একটি বাসায় থাকতাম। তখন ছয়টি কাতার পাকা ছিল। পেছনের অংশে ঘাস ছিল। দেয়াল ছিল ঢেউ ঢেউ। যার উচ্চতা তিন থেকে সাড়ে তিন ফুট হবে। তখন ঈদগাহ জিলা কাউন্সিল (বর্তমান জেলা পরিষদ) সার্বিক বিষয়ে দেখাশোনা করতো। পরে ঈদগাহ কুমিল্লা পৌরসভার ব্যবস্থাপনায় যায়।
কুমিল্লা প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি আবুল হাসানাত বাবুল বলেন, প্রাচীন সংবাদপত্র আমোদ সম্পাদক মোহাম্মদ ফজলে রাব্বীর মুখে শোনা, ব্রিটিশ আমলের শেষ দিকে ঈদগাহ গড়ে ওঠে। ত্রিপুরার রাজার কাছে মুসলিম প্রজাদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ঈদগাহে জমি দেওয়া হয়।
.png)
ঈদগাহের ইমাম ও খতিব মুফতি কাজী ইব্রাহীম বলেন, ঈদুল ফিতরে বেশি মুসল্লির সমাগম হয়। দিন দিন মুসল্লির সংখ্যা বাড়ছে। ২৫-৩০ হাজারের মতো মুসল্লির সমাগম হয়।
তিনি আরো বলেন, ২০০০ সাল থেকে ঈদের জামাতের ইমাম পদে দায়িত্ব পালন করছি। এর আগে, আমার বাবা মাওলানা ইসহাক সাহেব ৪৪ বছর দায়িত্ব পালন করেছেন। বাবার আগে দৌলুতপুরের হাফেজ সাহেব একযুগ দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়াও দুই-তিনজন বিভিন্ন ঈদে অনিয়মিত ঈদের ইমামতি করেছেন।