ভুক্তভোগীরা দ্বয় বান্ধবি ও পানছড়ি উপজেলার উল্টাছড়ি ইউপি এবং পানছড়ি সদর ইউপির বাসিন্দা।
রোববার ৯ জুন ভোররাতে রাজধানীর উত্তরা ১২নং সেক্টর হতে তাদের গ্রেফতার করা হয়। বিকেলে নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান পুলিশ সুপার মুক্তা ধর।
.png)
তিনি জানান, বেশ কিছুদিন ধরে অভিযুক্ত সুমি চাকমা হেলি পরিচিত মোবাইল ফোনে হোয়াটসঅ্যাপ এর মাধ্যমে ভুক্তভোগীদের চীন দেশে যাওয়ার জন্য প্রলোভন দিয়ে আসছে। এক পর্যায়ে ভুক্তভোগীরা চীনে যাওয়ার জন্য রাজি হলে গত ১ জুন ভুক্তভোগী বান্ধবী দ্বয় অভিযুক্ত সুমি চাকমা হেলির সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করে ঢাকার উত্তরায় একটি বাসায় যায়। সেখানে যাওয়ার পর তাদের মোবাইল কেড়ে নেয় এবং সবার সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে তাদেরকে ঘরে জিম্মি করে রাখে। এদিকে উদ্ধারকৃত অপর ৩ ভুক্তভোগীকে একই প্রলোভন দেখিয়ে চীনে পাচার করার জন্য বিভিন্ন স্থান হতে এনে একই বাসায় আটক করে রাখা হয়।
মেয়েদের সন্ধান না পেয়ে গত ২ ও ৪ জুন ভুত্তভোগিদের মা শুভা দেবী চাকমা ও মালাবী চাকমা বাদি হয়ে পৃথক পৃথক ভাবে পানছড়ি থানায় নিখোঁজ ডায়রি করলে তাদের সন্ধানে মাঠে নামে পুলিশ।
খাগড়াছড়ির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ জসীম উদ্দিনের নেতৃত্বে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঢাকার উত্তরা ১২নং সেক্টর, প্রিয়াংকা সিটি হতে তাদের উদ্ধার করা হয়। একই সাথে এক চীনা নাগরিক সহ সংঘবদ্ধ মানব পাচারকারী চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে পানছড়ি থানায় মামলা দায়ে করা হয়েছে। চক্রের অন্যান্যদের গ্রেফতারে পুলিশ কাজ করছে বলে জানান তিনি।