ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

নেসকো-পল্লী বিদ্যুৎ কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ, গাড়ি ভাঙচুর

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৮:৩৭, ৮ জুন ২০২৪
নেসকো-পল্লী বিদ্যুৎ কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ, গাড়ি ভাঙচুর
ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিদ্যুৎ বিতরণকারী প্রতিষ্ঠান নেসকো ও পল্লী বিদ্যুৎ কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে গাড়ি ভাঙচুরসহ ১০ জন আহত হয়েছেন।

শনিবার দুপুর ১২টার দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার নয়াগোলা আতাহার বুলনপুর এলাকায় বিদ্যুতের লাইন নির্মাণ কাজকে ঘিরে দুটি প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুই প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা প্রথমে বাকবিতণ্ডা ও পরে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। উভয়পক্ষে শতাধিক মানুষ সংঘর্ষে জড়ান। এসময় তাদেরকে হাতে লাঠি, রড নিয়ে ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিয়ে ছোটাছুটি করতে দেখা যায়। এক পর্যায়ে নেসকোর কর্মীরা চালকলের ভেতরে ঢুকে আত্মরক্ষা করেন। আধাঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষ চলাকালে সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পুলিশের সামনেই ঘটে গাড়ি ভাঙচুর, লাঠি ও রড হাতে ধাওয়া ও ইটপাটকেল ছোড়াছুড়ি। পরে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

Advertisement

পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ভারপ্রাপ্ত মহাব্যবস্থাপক রেজাউল করিম জানান, মহারাজপুরে থাকা পল্লী বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রের লাইন নির্মাণের জন্য তারা কাজ করছিলেন। নেসকোর এলাকায় তাদের লাইন বন্ধ রাখার জন্য চিঠি দেওয়া হয়েছিলো। শনিবার লাইনের নির্মাণ কাজ করতে গেলে লাইন বন্ধ না রেখে উল্টো নেসকোর কর্মীরা বাধা দেন। এক পর্যায়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

এ সময় পল্লী বিদ্যুতের একটি পিকআপ ও মোটরসাইকেল ভাঙচুর ও তাদের কর্মীরা আহত হয়েছেন বলে তিনি দাবি করেন।

নেসকো, চাঁপাইনবাবগঞ্জের নির্বাহী প্রকৌশলী ওলিউল আজিম বলেন, সঞ্চালন লাইনের পাশাপাশি পল্লী বিদ্যুতের সঞ্চালন লাইন করা নিয়ে আপত্তির কথা পত্রের মাধ্যমে জানিয়েছিলাম। এ নিয়ে দুই সপ্তাহের মধ্যে পত্র আদান প্রদানের মধ্যে পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ লাইন নির্মাণ কাজ শুরু করে। আমাদের এক লাইনম্যানকে জোর করে পোলে তুলে লাইন বন্ধ করার জন্য চাপ দিচ্ছিল। এ নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে নেসকোর তিনটি গাড়ি ভাঙচুর ও আমাদের বেশ কয়েকজন কর্মী আহত হয়েছেন।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানার ওসি মিন্টু রহমান বলেন, নেসকো ও পল্লী বিদ্যুৎ কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। এ ঘটনায় এখনো কোনো পক্ষই মামলা করেনি।

জেলা প্রশাসক একেএম গালিভ খাঁন বলেন, ভুল বোঝাবুঝির কারণে দুটি সংস্থার লোকজনের মধ্যে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে। বিদ্যুতের মতো জরুরি বিষয় নিয়ে দ্বন্দ্ব থাকা ঠিক নয়। উভয়পক্ষকে ডাকা হয়েছে। দ্রুত সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে আশা করি। 

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমকে
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!