এলাকাবাসী জানান, বুধবার (৫ জুন) বিকেল ৩টার দিকে উপজেলার বনমালী এলাকায় ঝিনাই নদীর ওপর নির্মিত সেতুটি ভেঙে পড়ে।
জানা গেছে, ১৯৯৬ সালে উপজেলার নগদাশিমলার বনমালী এলাকায় ঝিনাই নদীর ওপর সেতুটি নির্মাণ করা হয়। সেতুটির দৈর্ঘ্য ৪০ মিটার এবং প্রস্থ ৫ ফুট। নদীতে পানি বৃদ্ধির কারণে পানাগুলো একত্রিত হয়ে সেতুর পিলারে জমাট বাঁধে। সেতুর পিলারের নিচে মাটি না থাকায় নদীতে স্রোত ও পানার চাপে সেতুর মাঝ খানের প্রায় ২০ মিটার অংশ ভেঙে নদীতে পড়ে যায়। বাকি অংশটুকুও ঝুঁকিতে রয়েছে।
.png)

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক পথচারী বলেন, ‘দায়সারাভাবে সেতুর কাজ করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষ ঠিকমতো দেখভাল করলে এত তাড়াতাড়ি সেতু ধসে পড়ত না।
পথচারী আকবর শেখ বলেন, প্রতিদিন এ সেতুর ওপর দিয়ে যাতায়াত করতে হয়। সেতুটি ভেঙে যাওয়ায় চলাচলে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। জরুরি প্রয়োজনে নদীতে জমে থাকা পানার ওপর দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে হেঁটে পার হতে হচ্ছে।
নগদাশিমলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সুহেল মিয়া বলেন, নদীতে পানি আসার আগেই সেতুটির নিচে জমে থাকা পানা পরিষ্কার করা হয়। এভাবেই বিগত পাঁচ বছর ধরে করেছি। কিন্তু হঠাৎ সেতুর মাঝখানে কিছু অংশ ভেঙে নদীতে পড়েছে।
তিনি আরো বলেন, সেতু ভেঙে যাওয়ার পর লোকজন নদীতে জমে থাকা পানার ওপর দিয়ে হেঁটে নদী পার হচ্ছে।
উপজেলা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী ফাত্তাউর রহমান বলেন, সেতুটি দীর্ঘদিনের পুরাতন। সেতুর প্রস্থ ছিল ৫ ফুট। স্থানীয়দের যাতায়াতের স্বার্থে ঝিনাই নদীর ওপর সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছিল। পুরাতন সেতু হওয়ায় সেটি সংস্কারের উপযোগী ছিল না। সেখানে নতুন করে সেতু নির্মাণের জন্য প্রস্তাবনা পাঠানো হবে। মানুষের দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে সেতুটি পুনরায় নির্মাণ করা হবে বলে জানান তিনি।