বৃহস্পতিবার (২৭ এপ্রিল) দুপুরে থানায় বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেছেন সড়ক ও জনপথ অধিদফতরের ভালুকা সড়ক উপবিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. আব্দুল হালিম।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ত্রিশাল থানার ওসি মুহাম্মদ মাঈন উদ্দিন।
.png)
তিনি জানান, মহাসড়কের আইন অনুযায়ী লরি গাড়ি সর্বোচ্চ ৪০ টন ওজন পরিবহনের কথা থাকলেও ওই লরিটির চালক ১২০ টন লোডের ওজনের বৈদ্যুতিক ট্রান্সফর্মার নিয়ে ময়মনসিংহে যাচ্ছিল। অতিরিক্ত ওজন বহনের কারণে লরিটি সেতুর ওপর উঠার পর ভেঙে খিরু নদীতে পড়ে যায়। এ সময় সেতুর ওপরে থাকা একটি প্রাইভেটকার পড়ে গিয়ে তিনজন আহত হন। অতিরিক্ত ওজন বহনের কারণে সেতু ভেঙে পড়ায় ৩০ কোটি টাকার ক্ষতি হওয়ায় অজ্ঞাত চালককে আসামি করে মামলা করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলেও জানান ওসি মুহাম্মদ মাঈন উদ্দিন।
এ বিষয়ে সড়ক ও জনপথ অধিদফতরের ভালুকা সড়ক উপবিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. আব্দুল হালিম বলেন, সেতুটি ঝুঁকিপূর্ণ ছিল না। গাড়ি অতিরিক্ত ওজন নিয়ে চলাচল করলে যেকোনো সেতু ভেঙে যাওয়ার সম্ভবনা থাকে। এই সেতুটিও ভেঙে পড়েছে অতিরিক্ত ওজন বহনের কারণে। এতে সরকারের আনুমানিক ৩০ কোটি টাকা ক্ষতি হওয়ায় মামলা করা হয়েছে।
এর আগে বুধবার বিকেল পৌনে ৬টার দিকে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে ত্রিশাল উপজেলার চেলেরঘাট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।