জানা গেছে, ভোট চলাকালীন হঠাৎ কেন্দ্রটিতে হামলা চালিয়ে ৯টি ব্যালট বই, ৫৫১টি ব্যালট পেপার, মার্কিং সিল ও অফিসিয়াল সিল ছিনতাই করে নিয়ে যায় একদল দুর্বৃত্ত। ঘটনার পরপরই ভোটগ্রহণ বন্ধ করে দেন কেন্দ্রে দায়িত্বরত প্রিজাইডিং অফিসার।
নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম প্রামাণিক বলেন, ঘটনার পর কেন্দ্রটিতে ভোটগ্রহণ বন্ধ করা হয়েছে। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে আছেন।
.png)
উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের তৃতীয় ধাপে চট্টগ্রামের চার উপজেলা বোয়ালখালী, পটিয়া, আনোয়ারা ও চন্দনাইশে ভোটগ্রহণ চলছে।
বুধবার (২৯ মে) সকাল ৮টায় শুরু হওয়া ভোটগ্রহণ টানা চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। চার উপজেলায় ৫০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, চার উপজেলায় ৬০ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং চারজন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি পুলিশ, আনসার, র্যাব ও বিজিবি সদস্যরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কাজ করছেন।
চার উপজেলায় মোট ভোটার নয় লাখ ৬৯ হাজার ৬০১ জন। এর মধ্যে বোয়ালখালীতে রয়েছেন দুই লাখ ১০ হাজার ৩৪০ জন। এতে পুরুষ ভোটারের সংখ্যা এক লাখ ১০ হাজার ৫৭৭ জন ও নারী ৯৯ হাজার ৭৬৩ জন। পটিয়ায় মোট ভোটার তিন লাখ ৩৪ হাজার ৫৪৫ জন। এর মধ্যে পুরুষ এক লাখ ৭৫ হাজার ৭৩৮ জন ও নারী এক লাখ ৫৮ হাজার ৮০৬ জন। আনোয়ারায় ভোটার সংখ্যা দুই লাখ ৩৩ হাজার ১০৯ জন জন। যার মধ্যে পুরুষ এক লাখ ২৩ হাজার ৮৮৮ জন ও নারী এক লাখ ৯ হাজার ২২১ জন। চন্দনাইশে মোট ভোটার এক লাখ ৯১ হাজার ৬০৭ জন। এর মধ্যে পুরুষ এক লাখ ১ হাজার ৫৫১ জন ও নারী ৯০ হাজার ৫৬ জন।
চার উপজেলায় মোট ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা ৩৫৬টি। এর মধ্যে বোয়ালখালীতে ৮৬টি, পটিয়ায় ১২৮টি, আনোয়ারায় ৭৪টি ও চন্দনাইশে ৬৮টি। চার উপজেলায় মোট বুথ সংখ্যা দুই হাজার ৩৫৭টি।
এর আগে, গত ৮ মে উপজেলা নির্বাচনের প্রথম ধাপে চট্টগ্রামের তিন উপজেলা মীরসরাই, সীতাকুণ্ড ও সন্দ্বীপে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। দ্বিতীয় ধাপে তিন উপজেলা হাটহাজারী, ফটিকছড়ি ও রাঙ্গুনিয়ায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ঐ ধাপে রাউজান উপজেলায়ও নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেখানে সবকটি পদে প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ায় আর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি।