চার উপজেলায় ৫০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এদিন সকাল ৮টায় শুরু হওয়া ভোটগ্রহণ টানা চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।
ভোটগ্রহণের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশন। মঙ্গলবার সকালে নিজ নিজ উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে নির্বাচনী সামগ্রী পাঠানো হয়েছে কেন্দ্রে। দুর্গম কেন্দ্রগুলো ছাড়া সব ভোটকেন্দ্রে ব্যালট পাঠানো হবে ভোটের দিন সকালে।
.png)
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, চার উপজেলায় ৬০ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং চারজন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি পুলিশ, আনসার, র্যাব ও বিজিবি সদস্যরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কাজ করছেন।
চার উপজেলায় মোট ভোটার নয় লাখ ৬৯ হাজার ৬০১ জন। এর মধ্যে বোয়ালখালীতে রয়েছেন দুই লাখ ১০ হাজার ৩৪০ জন। এতে পুরুষ ভোটারের সংখ্যা এক লাখ ১০ হাজার ৫৭৭ জন ও নারী ৯৯ হাজার ৭৬৩ জন। পটিয়ায় মোট ভোটার তিন লাখ ৩৪ হাজার ৫৪৫ জন। এর মধ্যে পুরুষ এক লাখ ৭৫ হাজার ৭৩৮ জন ও নারী এক লাখ ৫৮ হাজার ৮০৬ জন। আনোয়ারায় ভোটার সংখ্যা দুই লাখ ৩৩ হাজার ১০৯ জন জন। যার মধ্যে পুরুষ এক লাখ ২৩ হাজার ৮৮৮ জন ও নারী এক লাখ ৯ হাজার ২২১ জন। চন্দনাইশে মোট ভোটার এক লাখ ৯১ হাজার ৬০৭ জন। এর মধ্যে পুরুষ এক লাখ ১ হাজার ৫৫১ জন ও নারী ৯০ হাজার ৫৬ জন।
চার উপজেলায় মোট ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা ৩৫৬টি। এর মধ্যে বোয়ালখালীতে ৮৬টি, পটিয়ায় ১২৮টি, আনোয়ারায় ৭৪টি ও চন্দনাইশে ৬৮টি। চার উপজেলায় মোট বুথ সংখ্যা দুই হাজার ৩৫৭টি।
চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের মুখপাত্র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু তৈয়ব মোহাম্মদ আরিফ হোসেন বলেন, আগের দুটি নির্বাচনের মতো তৃতীয় ধাপের নির্বাচনও সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে শেষ করার চেষ্টা করবো। ভোটকেন্দ্রে যাতে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয় সেভাবেই পুলিশ প্রস্তুত রয়েছে। সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচনের লক্ষ্যে আমাদের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি নেয়া আছে।
অতিরিক্ত জেলা নির্বাচন অফিসার ও রিটার্নিং অফিসার মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম প্রামাণিক বলেন, চার উপজেলাকেই প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে। কোনোটি বেশি কোনোটি কম এমন নয়। চার উপজেলার ১৩৩টি কেন্দ্রকে ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে বোয়ালখালীতে ১৬টি, চন্দনাইশে ২৯টি, পটিয়ায় ৩৩টি ও আনোয়ারায় ৩৫টি।
প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে ছয়জন ও সাধারণ কেন্দ্রে পাঁচজন করে পুলিশ সদস্য এবং কেন্দ্রে বুথের সংখ্যার অনুপাতে সর্বনিম্ন ১৩ জন করে আনসার সদস্য মোতায়েন থাকবে বলে জানান তিনি।
এর আগে, গত ৮ মে উপজেলা নির্বাচনের প্রথম ধাপে চট্টগ্রামের তিন উপজেলা মীরসরাই, সীতাকুণ্ড ও সন্দ্বীপে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। দ্বিতীয় ধাপে তিন উপজেলা হাটহাজারী, ফটিকছড়ি ও রাঙ্গুনিয়ায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ঐ ধাপে রাউজান উপজেলায়ও নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেখানে সবকটি পদে প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ায় আর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি।