সোমবার আদিতমারী থানার ওসি (তদন্ত) মো. রফিকুল ইসলাম হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে সোমবার সকালে মঞ্জুনা খাতুনের বাড়ির পাশে ধান ক্ষেতের আইল থেকে লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত মঞ্জুনা খাতুন মিন্টু মিয়ার দ্বিতীয় স্ত্রী বলে জানা গেছে। অভিযুক্ত স্বামী মিন্টু মিয়া ওই এলাকার আজিজার রহমানের ছেলে।
.png)
এলাকাবাসী জানান, মিন্টু মিয়া ও তার স্ত্রী মঞ্জুনা খাতুনের মধ্যে প্রায়ই বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটি ও ঝগড়া লেগেই থাকতো। এছাড়াও মিন্টু তার স্ত্রীকে সব সময় সন্দেহ করতেন। সোমবার ভোরে ওই সন্দেহের জের ধরে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া হয়। পরে সকালে মানিক মিয়া নামের এক কৃষক জমির আইলে মঞ্জুনার লাশ দেখতে পান। খবর পেয়ে পুলিশ মঞ্জুনার লাশ উদ্ধার করে এবং তার স্বামী মিন্টুকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
সারপুকুর ইউপির সদস্য আব্দুল আজিজ বলেন, ওই নারীর মৃত্যুর বিষয়টি খুবই দুঃখজনক। ওই নারীর শ্বাসরোধে মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। এর আগে মিন্টুর আরো এক স্ত্রী ছিল। মিন্টু তার আগের স্ত্রীকেও হত্যা করেছেন বলে অভিযোগ আছে। যেহেতু এটি পুলিশ কেস সেহেতু তারাই তদন্ত করার পর মৃত্যুর আসল কারণ ও এর পেছনে কে দায়ী তা নিশ্চিত করবে।
আদিতমারী থানার ওসি মাহমুদ-উন-নবী জানান, মিন্টু মিয়া তার স্ত্রী মঞ্জুনা খাতুনকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে এমন খবর পেয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়ে দিয়েছি। সকালে লাশ উদ্ধার করা করা হয়েছে। দুপুরের দিকে নিহতের স্বামী মিন্টু মিয়াকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। তবে এটি হত্যা কী না ময়নাতদন্ত ও জিজ্ঞাসাবাদ না করে এখনই কিছু বলা যাচ্ছে না।