এদিকে, তাপমাত্রা বাড়ার কারণে সিলেটে গরমও বেড়েছে। তীব্র গরমে হাঁসফাঁস করছেন নগরবাসী। খুব বেশি প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হচ্ছেন নগরবাসী। দুপুরের দিকে অনেক সড়কে যানবাহন চলাচল কম ছিল। মানুষের আনাগোনা খুব একটা লক্ষ্য করা যায়নি। তবে তীব্র গরমে খেটে খাওয়া মানুষরা কষ্টে রয়েছেন।
এর আগে, গত ১৬ মে তাপমাত্রা ৩৭ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়। তখন সেটিই ছিলো মৌসুমের সর্বোচ্চ। এরপর থেকেই ধারাবিহকভাবে বেড়ে চলছে তাপমাত্রা।
.png)
সিলেটে গত ২ সপ্তাহ থেকে শুরু হয়েছে তাপপ্রবাহ। মাঝখানে সোমবার বৃষ্টি হলেও কমেনি তাপমাত্রা। আবারও বেড়ে যায় তাপমাত্রার পারদ।
নগরীর আম্বরখানা এলাকার বাসিন্দা ইশতিয়াক চৌধুরী বলেন, গরমের কারণে অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। আমার পরিবারের বেশিরভাগ সদস্য অসুস্থ ছিলেন। আমি নিজেও অসুস্থ ছিলাম। আজ একটা কাজ থাকায় বের হয়েছ। নয়তো বের হতাম না।
নগরের জালালাবাদ এলাকার একটা গলিতে গাছের ছায়ার নিচে রিকশা থামিয়ে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন চালক আহমদ আলী। তিনি বলেন, শীত গরম বৃদ্ধি সব সময়ই আমাদের রিকশা নিয়ে বের হতে হয়। না হলে খাওয়া জুটবে না। কিন্তু এই গরমে রিকশা চালানো সম্ভব হচ্ছে না। তাই কিছুক্ষণ পরপর ছায়ায় বিশ্রাম নিতে হচ্ছে।
সিলেট আবহাওয়া কার্যালয়ের সহকারী আবহাওয়াবিদ শাহ মোহাম্মদ সজীব হোসেন বলেন, দেশে সাধারণত মার্চ, এপ্রিল, মে ও জুনে গরম বেশি থাকে। এ সময়ে গরম কিছুটা কমে বৃষ্টি হলে। আগামী কয়েক দিন এ রকম গরম থাকতে পারে। তাপমাত্রা আরো বাড়তে পারে। আজ সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত সিলেটের সর্বেোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৩৭.৭ ডিগ্রি আর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ২৬.৫ ডিগ্রি। বাতাসের আর্দ্রতা ছিল সকাল ৯টায় ০৬২ শতাংশ আর সন্ধ্যা ৬টায় ছিল ০৫৫ শতাংশ।