মঙ্গলবার দুপুরে চসিকের টাইগারপাস কার্যালয়ের বিন্নাঘাস প্রকল্প এলাকায় মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরীর কাছে কনটেইনারগুলো হস্তান্তর করেন সিডিডিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমডোর মো. বেনজীর মাহমুদ।
এছাড়া বর্জ্য অপসারণে ব্যবহৃত চসিকের চারটি গাড়ি সংস্কার করে মেয়রের কাছে হস্তান্তর করেন বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট কর্পোরেশনের (বিআরটিসি) ব্যবস্থাপক মো. মফিজ উদ্দিন।
.png)
মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, নগর পরিচ্ছন্ন রাখতে আমরা সক্ষমতা বাড়াতে মনোযোগ দিচ্ছি। এজন্য আমরা সরকারি প্রতিষ্ঠান সিডিডিএল থেকে উন্নতমানের ৪০টি কনটেইনার কিনেছি এবং বিআরটিসি থেকে পরিচ্ছন্ন কার্যক্রমে ব্যবহৃত গাড়ি সংস্কার করছি৷ এর ফলে পরিচ্ছন্ন কাজের মান বাড়বে, বাঁচবে চসিকের ব্যয়৷
তিনি বলেন, চসিকের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের গতি বাড়াতে নানামুখী পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। তবে নগরবাসী পরিচ্ছন্ন চট্টগ্রাম চাইলেও এসটিএস স্থাপন করতে গেলে বিভিন্ন ধরনের বাধা দিচ্ছে। এজন্য আমরা ব্যয়বহুল হলেও আন্ডারগ্রাউন্ড এসটিএস করতে চাই। বিদ্যমান দুটি ল্যান্ডফিল্ড পূর্ণ হয়ে আসায় ৫০ একর জায়গা কেনার চিন্তাও করছি। বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত একাধিক প্রস্তাব পেয়েছি। প্রস্তাবগুলো আমরা মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছি। মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মুহম্মদ তৌহিদুল ইসলাম, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা লতিফুল হক কাজমি, কাউন্সিলর নুরুল হক, নিছার উদ্দিন মঞ্জু, মেয়রের একান্ত সচিব আবুল হাশেম, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আকবর আলী প্রমুখ।