বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার ভাদ্রা ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। নিহত রাজিব হোসেন উপজেলার ভাদ্রা গ্রামের বীরমুক্তিযোদ্ধা আলম মিয়ার ছেলে এবং ভাদ্রা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সিনিয়র সহসভাপতি।
নাগরপুর থানার ওসি এইচ এম জসিম উদ্দিন জানান, ভাদ্রা গ্রামের আজাহার ও রাজিবের মধ্যে জমির সীমানা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। বৃহস্পতিবার সকালে এরই জেরে বিরোধপূর্ণ জমির গাছ বেলপাড়া নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। পরে আজাহার ও তার পরিবারের লোকজন ধারালো অস্ত্র দিয়ে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা রাজিবকে কোপাতে থাকে। এ সময় পরিবারের লোকজন বাধা দিতে গেলে তাদেরকেও কুপিয়ে আহত করা হয়। পরে আহতদের উদ্ধার করে মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে রাজিবকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।
.png)
তিনি আরো বলেন, এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।