যাত্রীদের সূত্রে জানা গেছে, কালিয়াকৈর উপজেলার আশেপাশে কারখানাগুলো একসঙ্গে ছুটি হওয়ায় এই যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। ঢাকা টাঙ্গাইল মহাসড়কের দুপুরের পর থেকেই থেমে থেমে যানজট চলছে। তবে যানবাহন ও যাত্রীদের সংখ্যা বেশি থাকায় যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। যাত্রীরা ঠিকমতো গাড়ি না পেয়ে হেঁটে হেঁটে বিভিন্ন পণ্য বহন গাড়িতে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরা।
ইদ্রিস নামের এক যাত্রী জানান, গাড়িতেই উঠতে পারছি না। ২ ঘণ্টা ধরে বসে আছি। তবে বাড়ি যেতে পারব কিনা তা এখনো বলতে পারছি না।
.png)
রুবেল সরকার নামে এক শ্রমিক জানান, দুপুরে কারখানা ছুটি হওয়ার পর চন্দ্রা এসেছি। এখানে অনেক যানজট কোনো গাড়ি পাচ্ছি না। এছাড়া ভাড়া অনেক বেশি।
রংপুরগামী পোশাকশ্রমিক ফরিদা বেগম বলেন, দুপুর পৌনে ১২টা থেকে বাসের জন্য দাঁড়িয়ে আছি, এখন সোয়া একটা বাজল। রংপুর যাবো, কিন্তু বাস পাচ্ছি না।
গাইবান্ধাগামী আব্দুস কদ্দুস বলেন, বাস কাউন্টারে ভাড়া বাড়িয়ে দিয়েছে। গাইবান্ধা যেতে আগে লাগত ৫০০ টাকা এখন ঈদ উপলক্ষে নেয়া হচ্ছে ১,০০০ টাকা। উপায় নাই, যেতেই হবে।
নাওজোড় হাইওয়ে পুলিশের ওসি শাহাদাত হোসেন জানান, আশেপাশে কারখানাগুলো একত্রে ছুটি হওয়ায় যানবাহনের চাপ বেড়ে গেছে। তবে কোথাও গাড়ি থেমে নেই গাড়ি ধীর গতিতে চলছে। আমরা সার্বক্ষণিক চেষ্টা করছি যেন ঘরমুখো মানুষ বাড়ি পৌঁছাতে পারেন।