বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঈদগাঁও উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং অফিসার হুমায়ুন কবীর।
ইতিহাসের অংশ হতে যাওয়া নির্বাচনটি অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে করতে সবরকমের প্রস্তুতি নিয়েছে নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসন। সুষ্ঠু প্রক্রিয়ায় ভোটগ্রহণ সম্পন্ন করতে প্রিজাইডিং, সহকারী প্রিজাইডিংসহ ভোট গ্রহণে নিয়োজিতদের প্রশিক্ষণ ও কেন্দ্র বন্টন সম্পন্ন হয়।
.png)
ঈদগাঁও উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা কার্যালয় সূত্র জানায়, ঈদগাঁও উপজেলার পাঁচ ইউনিয়ন হলো সদর ঈদগাঁও, ইসলামাবাদ, পোকখালী, ইসলামপুর ও জালালাবাদ। পাঁচ ইউনিয়নে মোট ভোটার সংখ্যা ৮৮ হাজার ৭৫৮। যেখানে পুরুষ ভোটার ৪৮ হাজার ২৪৬ ও মহিলা ভোটার ৪০ হাজার ২১২ জন। এতে ভোটকেন্দ্র রয়েছে ৪৭টি। আর ভোট কক্ষ ২৪৫টি। ২৬ এপ্রিল মধ্যরাতে সকল ধরনের নির্বাচনি প্রচার-প্রচারণা শেষ হয়েছে। ২৭ এপ্রিল সন্ধ্যার আগে ব্যালট পেপার ও নির্বাচনি মালামাল কেন্দ্রভিত্তিক বিভাজন করা হয়। নির্বাচন কমিশনের চাহিদা মতে রোববার (ভোট গ্রহণের দিন) ঈদগাঁও উপজেলায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
ঈদগাঁও থানার ওসি শুভ রঞ্জন চাকমা জানান, সংঘাতহীন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দিতে পর্যাপ্ত পুলিশ, বিজিবি ও র্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।
জানা যায়, কক্সবাজার সদর উপজেলা থেকে পৃথক হয়ে পাঁচ ইউনিয়ন নিয়ে ঈদগাঁও উপজেলা গঠিত হয়। উপজেলা গঠন পরবর্তী উক্ত ইউনিয়নগুলোতে এই প্রথম কোনো নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে উপজেলার জনগণ ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের মধ্যে আগ্রহের কমতি নেই। এ ছাড়া আগামী ২১ মে নবগঠিত ঈদগাঁও উপজেলার প্রথম উপজেলা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।