শিশু নাফিজ উপজেলার পুটিবিলা নালারকুল এলাকার প্রবাসী জসিম উদ্দিনের ছেলে। সে ওই ভবনের আল কুরআনুল কারিম ইনস্টিটিউট নামে একটি হেফজখানার ছাত্র ছিল।
স্থানীয়রা জানান, সন্ধ্যায় যখন সবাই মাগরিবের নামাজের জন্য মসজিদের উদ্দেশ্যে রওনা দিচ্ছিল, তখনই ফোরকান টাওয়ারের ওপর থেকে তিন তলায় মাদরাসা শিক্ষার্থী পড়ে যাওয়ার খবর আসে। তবে এটি দুর্ঘটনা, নাকি পরিকল্পিত হত্যা তা বলতে পারছে না কেউ।
.png)
অন্যদিকে, হেফজখানার ইনচার্জ হাফেজ মাওলানা আবদুল মজিদের দাবি, পাইপ বেয়ে নিচে নামার চেষ্টার সময় ছিটকে তিন তলায় পড়ে যায় নাফিজ।
তিনি বলেন, ঈদের ছুটি শেষে দুপুরের পর মায়ের সঙ্গে ইনস্টিটিউটে আসে নাফিজ। একসঙ্গে সবাই আসরের নামাজ আদায় করেছি। নামাজ শেষে বাজার করতে বের হই। ছাদের দরজা তালাবদ্ধ। এরই মধ্যে এ ঘটনা ঘটে। সিসিটিভি ফুটেজ দেখে জানতে পেরেছি- ভবনের মাঝখানে আলোর জন্য তৈরিকৃত স্থান দিয়ে পাইপ বেয়ে নামার চেষ্টা করে নাফিজ। সেখান থেকে তিন তলায় পড়ে সে মারা যায়।
লোহাগাড়া থানার ওসি রাশেদুল ইসলাম বলেন, ঘটনার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে রক্তাক্ত মরদেহের সুরতহাল শেষ করে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।