এমনই লঙ্কাকাণ্ড ঘটেছে ভোলার লালমোহন উপজেলার ফরাজগঞ্জ ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বেড়িরমাথা এলাকায়।
ঘটনা নিয়ে বর-কনেপক্ষের পরিবারের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বেড়িরমাথা এলাকার মৃত মোহাম্মদ মোস্তফার ছেলে আল-আমিনের সঙ্গে পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের কচুয়াখালী গ্রামের বাসিন্দা নান্নু মাঝির কন্যার বিয়ে হয়। রোববার কনের বাড়িতে নিমন্ত্রণে গিয়েছিল বরপক্ষ। এরপর সোমবার দুপুরে বরপক্ষের বাড়িতে নিমন্ত্রণে আসেন কনেপক্ষ। এ সময় অতিথিদের মাঝে খাবার পরিবেশনকালে প্রয়োজনের অতিরিক্ত খাবার নিয়ে নষ্ট না করতে অনুরোধ করা হয়। যার জন্য আচরণ খারাপ করেন কনের দুলাভাই শাকিল। এতে বাধা দিলে খাবার পরিবেশনের দায়িত্বে থাকা বরের ফুফাতো ভাইকে চড় মারেন শাকিল। এ ঘটনায় হট্টগোলের সৃষ্টি হয়। তছনছ হয়ে যায় খাবারসহ আসবাবপত্র। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বরপক্ষের লোকজন মিলে কনের দুলাভাই শাকিলকে দেন বেধম পিটুনি।
.png)
বরের চাচা আবুল হোসেন বলেন, কনের দুলাভাই শাকিলকে দুই চামচ মাংস দেওয়ার পরও তিনি আরো মাংস চান। এ সময় অতিরিক্ত মাংস নিয়ে নষ্ট না করার অনুরোধ করলে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে খাবার পরিবেশনকারীর গালে চড় মারেন। পরে দুই পক্ষের মধ্যে হট্টগোল শুরু হয়।
তবে কনের মামা কামাল জানান, দুই পক্ষের মধ্যে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি স্থানীয় ইউপি সদস্য সমাধান করবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন।
এ ঘটনা নিয়ে ফরাজগঞ্জ ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আনোয়ার জাহিদ পারভেজ বলেন, বিয়ে বাড়িতে হট্টগোলের সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে দুই পক্ষকে শান্ত করেছি। পরিস্থিতি আরেকটু স্বাভাবিক হলে দুই পক্ষকে নিয়ে বসে ঘটনার সুষ্ঠু ফয়সালা করা হবে।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ওসি এসএম মাহবুব উল আলম জানান, এ ধরনের কোনো ঘটনা আমাদের জানা নেই। কেউ অভিযোগ করলে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।