শনিবার (১৩ এপ্রিল) রাত ৩টার দিকে উপজেলার পাঠাকাটা ইউনিয়নের নামাকৈয়াকুড়ী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। রহিম নকলা পৌরসভাধীন মৃত হাবিল মিয়ার ছেলে। তিনি পেশায় একজন ট্রাকচালক ছিলেন।
জানা যায়, আব্দুর রহিম পেশায় একজন ট্রাকচালক ছিলেন। ঢাকায় ন্যাশনাল পলিমার কোম্পানির গাড়ি চালাতেন। পাঁচ মাস আগে স্ট্রোক করার কারণে তিনি আর গাড়ি চালাতে পারেন না। স্ত্রীকে নিয়ে ঢাকার চেরাগআলীতে বসবাস করেন। তার স্ত্রী নাছিমা পোশাক শ্রমিক হিসেবে কাজ করে সংসার চালান। ঈদের ছুটিতে বাড়িতে আসেন সবাই। নাছিমা চলে যান বাবার বাড়ি পাঠাকাটার নামাকৈয়াকুড়ী গ্রামে এবং আব্দুর রহিম চলে যান নিজের বাড়ি জালালপুর গ্রামে। ঈদের দিন রাত ১২টার দিকে শ্বশুরবাড়ি নামাকৈয়াকুড়ীতে বেড়াতে আসেন রহিম। শনিবার রাত ২টা থেকে ৩টার দিকে শ্বশুরবাড়ির পাশে কড়ইগাছে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন তিনি।
.png)
নকলা থানার ওসি মো. আব্দুল কাদের মিয়া বলেন, খবর পেয়ে ভোরেই মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে আত্মহত্যা বলেই মনে হচ্ছে। তার শরীরের কোথাও কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি।